shono
Advertisement

Breaking News

Rafale

ঘাড়ে চিন-পাকিস্তানের নিঃশ্বাস! যুদ্ধবিমানের ঘাটতি মেটাতে ১১৪ রাফালে যুদ্ধবিমান কিনবে ভারত

ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে চিন এবং পাকিস্তান। টানাপড়েন বাড়ছে সীমান্তে। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিমানের ঘাটতি মেটাতে বায়ুসেনার হাতে ১১৪টি রাফালে তুলে দেওয়ার কথা ভাবছে রাজনাথ সিংহের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।
Published By: Saurav NandiPosted: 03:00 PM Feb 08, 2026Updated: 03:00 PM Feb 08, 2026

ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে চিন এবং পাকিস্তান। টানাপড়েন বাড়ছে সীমান্তে। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিমানের ঘাটতি মেটাতে বায়ুসেনার হাতে ১১৪টি রাফালে তুলে দেওয়ার কথা ভাবছে রাজনাথ সিংহের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। চলতি মাসের শেষেই ভারত সফরে আসার কথা ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, তার আগেই রাফালে যুদ্ধবিমান কেনার সিদ্ধান্তে সবুজ সংকেত দিতে পারে রাজনাথের নেতৃত্বাধীন ‘প্রতিরক্ষা সামগ্রী ক্রয় বিষয়ক কমিটি’ (ডিএসি)।

Advertisement

প্রশাসনিক সূত্রেই জানা গিয়েছে, প্রায় ৩ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকার এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে, তা হবে স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম প্রতিরক্ষা চুক্তি। ইতিমধ্যেই প্রস্তাবিত প্রকল্পের মূল্যায়ন করেছে প্রতিরক্ষা সচিবের নেতৃত্বাধীন ‘সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় পর্ষদ’ (‘ডিফেন্স প্রোকিওরমেন্ট বোর্ড’ বা ডিআরবি)। তারা ছাড়পত্রও দিয়ে দিয়েছে। এবার রাফালে যুদ্ধবিমান কেনার প্রস্তাব চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য গিয়েছে ডিএসি-র কাছে। সেখানে চূড়ান্ত অনুমোদন মিললেই গোটা প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে।

প্রথম দফায় ভারতে নির্মিত রাফালগুলিতে ৩০ শতাংশ দেশীয় যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জাম থাকবে। পর্যায়ক্রমে তা বাড়িয়ে ৬০ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছে মূল্যায়ন কমিটির রিপোর্টে। এ ছাড়া, ১১৪টির মধ্যে ১৮টি সরাসরি নিয়ে আসা হবে ফ্রান্স থেকে। প্রসঙ্গত, দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত তেজস যুদ্ধবিমানে রয়েছে ৬২ শতাংশ ভারতীয় যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জাম।

প্রসঙ্গত, এক দশক আগে ফরাসি সংস্থা দাসো অ্যাভিয়েশনের সঙ্গে রাফাল চুক্তির সময়ই বায়ুসেনা জানিয়েছিল, তাদের দরকার ১২৬টি যুদ্ধবিমান। কিন্তু সেই সময় ফরাসি সংস্থা রাফালকে বরাত দেওয়া হয় ৩৬টি যুদ্ধবিমান। অন্য দিকে, ধাপে ধাপে মিগ-২১, মিগ-২৩ বাতিল হওয়ায় ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমানের ভাঁড়ারে সংখ্যার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। শুধুমাত্র ৩৬টি রাফাল বা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ‘হিন্দুস্থান অ্যারোনটিকস লিমিটেড’(হ্যাল) তৈরি তেজসের নয়া সংস্করণ ‘মার্ক-১এ’-র সাহায্যে তা পূরণ করা সম্ভব নয়।

বস্তুত, চুক্তি অনুযায়ী ২০২৩ সালের শেষ থেকেই ধাপে ধাপে ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে ‘তেজস মার্ক-১এ’ তুলে দেওয়ার কথা ছিল ‘হ্যাল’-এর। কিন্তু সেই সময়সীমা পার হওয়ার প্রায় দু’বছর পরেও একটিও ‘তেজস মার্ক-১এ’ হাতে আসেনি বায়ুসেনার। সরকারি তথ্য বলছে, ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে ৪২টি ফাইটার স্কোয়াড্রন থাকার কথা। কিন্তু তা এখন ৩২-এ নেমে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে পুরনো প্রতিরক্ষা সহযোগী ফ্রান্সের সহযোগিতায় দ্রুত ঘাটতি পূরণের কথা ভাবছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। ৪.৫ প্রজন্মের রাফালের পাশাপাশি রাশিয়ায় তৈরি পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান ‘সুখোই এসইউ-৫৭’ (ফেলন নামেও যা পরিচিত)-এর দিকেও নজর রয়েছে নয়াদিল্লি। ইতিমধ্যেই মস্কোর তরফে এসইউ-৫৭ই’ (এসইউ-৫৭-র এক্সপোর্ট ভ্যারিয়েন্ট) যুদ্ধবিমানের ‘যৌথ উৎপাদন’ এবং ‘সম্পূর্ণ প্রযুক্তি হস্তান্তরে’র প্রস্তাব এসেছে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement