ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে কার্যকর হল প্রতিরক্ষা চুক্তি 'রেসিপ্রোকল এক্সচেঞ্জ অফ লজিস্টিক সাপোর্ট' (RELOS)। এই চুক্তির মাধ্যমে একে অন্যের দেশে সামরিক ঘাঁটি গড়বে ভারত ও রাশিয়া। যার মাধ্যমে একে অপরের মাটিতে ৩০০০ জন সেনা মোতায়েন করতে পারবে দুই দেশ। এর পাশাপাশি ৫টি রণতরী ও ১০টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করবে দিল্লি-ক্রেমলিন।
বিরাট এই সামরিক চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ একে অন্যের মাটিতে সামরিক ঘাঁটি তৈরি করার অনুমতি পাবে। যেখানে সেনাঘাঁটি তৈরির পাশাপাশি অবাধে একে অপরের বিমান ঘাঁটি ও বন্দর ব্যবহার করা যাবে। এই চুক্তিতে সবরকম লজিস্টিক সাপোর্টও অন্তর্ভুক্ত যার মাধ্যমে জ্বালানি, জল, মেরামতি, প্রযুক্তির মতো অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীও একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নেবে দুই দেশ। এই চুক্তিতে আকাশপথে এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল ও বিমান সংক্রান্ত পরিষেবাও অন্তর্ভুক্ত।
একে অপরের মাটিতে ৩০০০ জন সেনা মোতায়েন করতে পারবে দুই দেশ। এর পাশাপাশি ৫টি রণতরী ও ১০টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করবে দিল্লি-ক্রেমলিন।
দীর্ঘ বছর ধরে ভারত ও রাশিয়া বন্ধু রাষ্ট্র। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রাশিয়ার সমর্থন ভারতের কাছে কখনও ভোলার নয়। সেই বন্ধুত্বকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ২০২৫ সালে অভিনব প্রতিরক্ষা চুক্তি করেছিল ভারত ও রাশিয়া। যার নাম ছিল 'রেসিপ্রোকল এক্সচেঞ্জ অফ লজিস্টিক সাপোর্ট' (RELOS)। অবশেষে কার্যকর হচ্ছে সেই চুক্তি। আপাতত ৫ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে এই চুক্তি। পরে একে অপরের সম্মতিতে তা বাড়ানো হবে।
যদিও দুই দেশের তরফে ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করে দিয়েছে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে এই চুক্তি যুদ্ধের জন্য নয়। এটি শুধুমাত্র প্রশিক্ষণ, যৌথ সামরিক মহড়া ও লজিস্টিক সাহায্যের জন্য কার্যকর হচ্ছে। পাশাপাশি এই চুক্তির মূল লক্ষ্য সামরিক ক্ষেত্রেও দুই দেশের বন্ধুত্বকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এই উদ্যোগের ফলে সামরিক সহযোগিতা আরও উন্নত হবে ভারত ও রাশিয়ার।
