shono
Advertisement
TCS Nashik Case

জোর করে নমাজ! ‘বলত, বাচ্চা চাইলে স্ত্রী’কে পাঠিয়ে দিন’, টিসিএস কাণ্ডে বিস্ফোরক দাবি কর্মীর

বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু টিসএসের নাসিকের অফিসেই ওই যুবক কর্মরত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর অভিযোগ, ঊর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মী (টিম লিডার) তাঁকে জোর করে মাথায় সাদা টুপি পড়িয়ে নমাজ পড়াতে বাধ্য করাতেন। পড়তে বলতেন কলমাও। এখানেই শেষ নয়, ওই কর্মীরা যুবকের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও উপহাস করতেন বলে অভিযোগ।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 02:15 PM Apr 16, 2026Updated: 03:25 PM Apr 16, 2026

মহারাষ্ট্রের নাসিকে টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসের (টিসিএস) একাধিক মহিলাকে যৌন নির্যাতন এবং জোর করে ধর্মান্তর বিতর্কে শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা দেশে। ঘটনায় (TCS Nashik Case) এখনও পর্যন্ত ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই পরিস্থিতিতে বিস্ফোরক সংস্থার আরও এক কর্মী। তাঁর দাবি, সংস্থায় কর্মরত কয়েকজন উচ্চপদস্থ মুসলিম কর্মী তাঁকে জোর করে নমাজ পড়তে বাধ্য করতেন। যুবকের আরও দাবি, ওই কর্মীরা তাঁকে ক্রমাগত হেনস্তাও করতেন। বলতেন, বাচ্চা চাইলে স্ত্রী’কে আমাদের কাছে পাঠিয়ে দিন।

Advertisement

বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু টিসিএসের নাসিকের অফিসেই ওই যুবক কর্মরত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর অভিযোগ, ঊর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মী (টিম লিডার) তাঁকে জোর করে মাথায় সাদা টুপি পড়িয়ে নমাজ পড়াতে বাধ্য করাতেন। পড়তে বলতেন কলমাও। এখানেই শেষ নয়, ওই কর্মীরা যুবকের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও উপহাস করতেন বলে অভিযোগ।

যুবকের বক্তব্য, ২০২২ সালে সংস্থায় যোগ দেওয়ার পর থেকেই ওই কর্মীরা ধারাবাহিকভাবে তাঁকে হেনস্তা করতেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তাঁর টিম লিডার তসিফ আখতার, দানিস শেখ কর্মক্ষেত্রে তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে নিশান করতেন। সমস্ত নির্দেশ মানতে বাধ্য করার পাশাপাশি অন্যদের কাজও তাঁর উপর চাপিয়ে দিতেন বলে অভিযোগ। উল্লেখ্য, টিসিএস কাণ্ডে মূল অভিযুক্তদের মধ্যে অন্যতম হলেন এই তসিফ এবং দানিস। তাঁদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে দায়ের হয়েছে লিখিত অভিযোগও।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এফআইআর করেছেন ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সি টিসিএস-এর মহিলা কর্মীরা। গত দুই থেকে তিন বছর ধরে তাঁদের উপর নির্যাতন চলেছে বলে অভিযোগ। গ্রেপ্তার হওয়া ছয় অভিযুক্তের মধ্যে টিসিএসের ইঞ্জিনিয়ার পদমর্যাদার আধিকারিকও রয়েছেন। আরও কয়েক জনের বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ। প্রয়োজনে তাঁদেরও গ্রেপ্তার করা হবে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement