পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় দেশে গ্যাসের জোগানে টান পড়ছে। এর মধ্যেই বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেল ব্যারেল পিছু ১১০ ডলার ছাপিয়ে গিয়েছে। এর জেরে রক্তাক্ত শেয়ার বাজার। ১,৫০০ পয়েন্ট পতন হল সেনসেক্সের। পাল্লা দিয়ে নিফটি পড়ল ৪৮৮ পয়েন্ট। অন্য দিকে একই কারণে বুধবার ডলার পিছু টাকার দাম ৯৩ কাছে পৌঁছে গিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য এর জেরে মূল্যবৃদ্ধি ৫.৫ শতাংশে পৌঁছতে পারে। সব মিলিয়ে ইরান যুদ্ধে সংকটে ভারতের অর্থনীতি।
যুদ্ধের জেরে টালামাটাল পরিস্থিতির মধ্য়েও গত দু'দিন শেয়ার বাজার ছিল ঊর্ধ্বমুখী। বুধবার সেনসেক্স মাথা তোলে ৬৩৩.২৯ পয়েন্ট। সব মিলিয়ে গত তিন দিনে ২১৪০ পয়েন্ট বেড়ে সেনসেক্স পৌঁছায় ৭৬,৭০৪.৮০ পয়েন্টে। কিন্তু বৃহস্পতিবার বাজারে খুলতেই পতন নিম্নগামী হয় হয় সেনসেক্স ও নিফটি। যথাক্রমে ১,৫০০ এবং ৪৮৮ পয়েন্ট পড়ে যায়। নেপথ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যারেল পিছু তেলের দাম ১৫০ কাছে পৌঁছে যাওয়া।
যুদ্ধের জেরে টালামাটাল পরিস্থিতির মধ্য়েও গত দু'দিন শেয়ার বাজার ছিল ঊর্ধ্বমুখী। বুধবার সেনসেক্স মাথা তোলে ৬৩৩.২৯ পয়েন্ট।
জানা গিয়েছে, ভারত বিশ্ব বাজারের যে বাস্কেট থেকে তেল কেনে তার দাম পৌঁছে গিয়েছে ১৪৬.১ ডলারে। সূত্রের দাবি, দাম দেখে মাথা হাত পড়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের। এতে আমদানি খরচ লাফিয়ে বাড়বে ভারতের। এর প্রভাবে দেশের বাজারে খুচরো তেলের দাম বাড়ারও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে যুদ্ধের বাহানায় রান্নার গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি। অন্যদিকে একলপ্তে ৪৯ পয়সা বেড়ে টাকার দাম হয়েছে ডলার পিছু ৯২ টাকা ৮৯ পয়সা। সব মিলিয়ে দেশের অর্থনীতির আকাশে ক্রমশ দুর্যোগের ঘনঘটা।
