বাংলায় এসআইআরের সময়সীমা বাড়ল। স্ক্রুটিনির জন্য ৭ দিন সময়সীমা বাড়াল সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি এদিন আদালতের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, ইআরও এবং এইআরও-ই নেবেন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। মাইক্রো অবর্জাভারদের সিদ্ধান্ত নেওয়া কোনও অধিকার নেই। পাশাপাশি এসআইআর নথি নষ্ট-অশান্তির ঘটনায় রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পাণ্ডেকে শোকজ করল শীর্ষ আদালত।
এসআইআর পর্বের শুরু থেকেই কমিশনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে। এক পর্যায়ে তা রীতিমতো সংঘাতের পর্যায়ে পৌঁছে যায়। জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতে ছিল সেই সংক্রান্ত শুনানি। সেখানেই রাজ্য, কমিশন ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবীর বক্তব্য শুনে এসআইআর শুনানির সময়সীমা বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। জানানো হয়েছে, স্ক্রুটিনির জন্য অতিরিক্ত ৭ দিন সময় দেওয়া হবে। অর্থাৎ হিয়ারিং শেষ হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি। তারপর ৭ দিন অর্থাৎ ২১ তারিখ পর্যন্ত চলবে স্ক্রুটিনি। তারপর প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত তালিকা।
এসআইআর শুনানির সময়সীমা বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। জানানো হয়েছে, স্ক্রুটিনির জন্য অতিরিক্ত ৭ দিন সময় দেওয়া হবে। অর্থাৎ হিয়ারিং শেষ হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি। তারপর ৭ দিন অর্থাৎ ২১ তারিখ পর্যন্ত চলবে স্ক্রুটিনি। তারপর প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত তালিকা।
গত বুধবার শুনানিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “শুধুমাত্র বাংলার জন্য মাইক্রো অবর্জাভার নিয়োগ করা হচ্ছে। বিজেপির লোকজনকে মাইক্রো অবজার্ভার করে পাঠাচ্ছে। তারা নাম ডিলিট করছে।” এরপরই কেন বাংলায় মাইক্রো অবর্জাভার নিয়োগ করা হয়েছে, তা স্পষ্ট করেন কমিশনের আইনজীবী। তিনি বলেন, “এসডিএম পদমর্যাদার অফিসার চেয়েও পাইনি, তাই মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করতে হয়েছে। আমরা আইন মেনে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছি।” অভিযোগ উড়িয়ে পালটা মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের যা সংখ্যা সেই হিসেবেই এসডিএম দিয়েছি।” সোমবার শুনানিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান জানান, রাজ্যের তরফে ৮৫০০ হাজার কর্মী দেওয়া হয়েছে। আগামিকাল বিকেল ৫ টার মধ্যে তাঁদের কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অবিলম্বে তাঁদের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আগেই সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, এসআইআর পর্বে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব রাজ্য পুলিশের। বিগত দিনে দেখা গিয়েছে এসআইআরকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অশান্তি হয়েছে। বিডিও অফিস ভাঙচুর হয়েছে, নথি নষ্ট করা হয়েছে, কিন্তু তাতে পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি বলেই অভিযোগ। সেই কারণে এবার রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পাণ্ডেকে শোকজ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দিতে হবে তাঁকে।
