বঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড়ি সংশোধন প্রক্রিয়ায় নয়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। ইআরওদের কাছে থাকা নথি, যেগুলি ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়নি, সেগুলি হস্তান্তর করতে হবে। আগামিকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার মধ্যে জুডিশিয়াল অফিসারদের হাতে তুলে দিতে হবে। এমনটাই নির্দেশ শীর্ষ আদালতের।
চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার বাকি ৩দিন। এদিকে লক্ষ লক্ষ ভোটারের নথি কমিশনের ওয়েবসাইটেই আপলোড করা যায়নি।সেই কথা মাথায় রেখে শীর্ষ আদালতের নির্দেশ ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইআরওদের কাছে জমা পড়া ভোটারদের নথি যেগুলি আপলোড করা হয়নি তা দিয়ে দিতে হবে জুডিশিয়াল অফিসারদের হাতে। পাশাপাশি মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড ও শংসাপত্র নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। কোন ক্ষেত্রে তা ব্যবহার করা তাও জানিয়েছে আদলত। বয়সের প্রমাণ ও পিতা-মাতার তথ্য জানার জন্য এই নথিগুলি ব্যবহার করতে হবে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শুনানি চলাকালীন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, "বাংলার সকল বিচারপতি জানেন, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে কী কী তথ্য আছে। তাই আমরা বলেছি এই নথি কমিশনের কাজে সাহায্য করবে। যে কেউ এই নথি যাচাই করতে পারবেন।" পাশাপাশি মাধ্যমিক পাসের শংসাপত্রও নেওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন বিচারপতি।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার এসআইআর (SIR in West Bengal) সংক্রান্ত একটি শুনানিতে আধার কার্ড ও মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণযোগ্য নথি বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সঙ্গে শীর্ষ আদালত আরও জানিয়েছে, গত বছর অক্টোবর মাসের ২৭ তারিখ নির্বাচন কমিশন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে যে ১২টি নথির কথা বলেছিল, সেই নথিগুলি বিবেচনা করা হবে। আধার কার্ড নিয়ে আদালত জানিয়েছে বিহারে এসআইআরের সময় সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে, সেই অনুযায়ী আধার কার্ড পরিচয়ের প্রমাণ হিসাবে গ্রহণ করতে হবে। তাছাড়াও, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে গ্রহণের কথা বলেছে। উল্লেখ্য, ১৯ জানুয়ারি আদালত মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে গ্রহণযোগ্য নথি হিসাবে গণ্য করেছিল।
