shono
Advertisement
Subhash Chandra

'বাড়ি বিক্রি করে সবার টাকা দিয়েছি', সমালোচনার জবাবে বললেন জি গ্রুপের প্রাক্তন কর্ণধার

২২ হাজার কোটির ঋণ প্রসঙ্গে সুভাষ চন্দ্র বলছেন, এই পরিমাণ অর্থ তাঁর ব্যক্তিগত ঋণ নয়।
Published By: Biswadip DeyPosted: 09:47 AM Aug 29, 2026Updated: 09:47 AM Aug 29, 2026

এসেল গ্রুপের চেয়ারম্যান সুভাষ চন্দ্রকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে গতকাল থেকে। ২২,০০৬ কোটি টাকার ঋণখেলাপি মামলায় স্বস্তি পেয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, ওই বিপুল ঋণ মকুব হয়ে যাবে স্রেফ সাড়ে ৬ কোটি টাকা দিলেই। আর এই প্রসঙ্গেই এবার মুখ খুললেন তিনি। দাবি করলেন, গ্রুপটির প্রায় ৪৫,০০০ কোটি টাকা ঋণ ছিল, যার মধ্যে প্রায় ৪৩,০০০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। আর তা করতে তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে নিজেদের বাড়ি-সহ ব্যক্তিগত সম্পত্তি বিক্রি করতে হয়েছে। পাশাপাশি ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনাল (এনসিএলটি)-তে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া প্রায় ২২,০০০ কোটি টাকার দাবির বহুল প্রচারিত অঙ্কটিকেও চ্যালেঞ্জ করে তিনি বলেন, এই পরিমাণ অর্থ তাঁর ব্যক্তিগত ঋণ নয়।

Advertisement

একটা সময় তিনি ছিলেন দেশের একেবারে প্রথম সারির ব্যবসায়ী। এসেল গ্রুপের নানাবিধ ব্যবসায় কোটি কোটি টাকা ঢুকত তাঁর পকেটে। জি গ্রুপের মাধ্যমে দেশের মিডিয়া ব্যবসায় প্রথম সারিতে নাম লিখিয়েছেন। কিন্তু কালের চক্রে সব খুইয়েছেন তিনি। আজ প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ একজন ঋণখেলাপী। একটি ভিডিও বার্তায় সুভাষ চন্দ্র জানিয়েছেন, সম্পদ ও দায়ের মধ্যে অসামঞ্জস্যের কারণে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারি গ্রুপটির আর্থিক সমস্যা প্রকাশ্যে আসে প্রথমবার। সে সময় তিনি প্রকাশ্যে নিজের ভুল স্বীকার করেছিলেন এবং আর্থিক খাতের পাওনা অর্থ পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বলেও দাবি তাঁর।

ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনাল (এনসিএলটি)-তে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া প্রায় ২২,০০০ কোটি টাকার দাবির বহুল প্রচারিত অঙ্কটিকেও চ্যালেঞ্জ করে সুভাষ চন্দ্র বলেন, এই পরিমাণ অর্থ তাঁর ব্যক্তিগত ঋণ নয়।

সুভাষের কথায়, ''আমি তখনই জানিয়েছিলাম যে আমার কিছু ভুল হয়ে গিয়েছে।'' এখানেই শেষ নয়, ওই বিপুল ঋণ শোধ করতে তাঁকে সব কিছুই বিক্রি করে দিতে হয়েছিল। তিনি জানাচ্ছেন, ''আমরা আমাদের পারিবারিক সম্পদ ও অন্যান্য সম্পদ বিক্রি করেছিলাম। এমনকী আমাদের বাড়িটিও বিক্রি করে দিয়েছি। সম্পূর্ণ সংস্থাই বিক্রয় করে দেওয়ার উপক্রম হয়েছিল। আমরা কিছুই নিজের কাছে রাখিনি। সবার পাওনা আমরা শোধ করেছি।''

তিনি ছিলেন দেশের একেবারে প্রথম সারির ব্যবসায়ী। এসেল গ্রুপের নানাবিধ ব্যবসায় কোটি কোটি টাকা ঢুকত তাঁর পকেটে। জি গ্রুপের মাধ্যমে দেশের মিডিয়া ব্যবসায় প্রথম সারিতে নাম লিখিয়েছেন। কিন্তু কালের চক্রে সব খুইয়েছেন তিনি।

সেই সঙ্গেই প্রাক্তন সাংসদ জানাচ্ছেন, তাঁর বর্তমান আর্থিক অবস্থা কর্মজীবনের তুঙ্গস্পর্শী সময়ের সম্পদের তুলনায় একেবারেই নগণ্য। বর্তমানে তাঁর কাছে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা এবং একটি ছোট আবাসিক সম্পত্তি রয়েছে। এর একটি অংশ তিনি নিজের খরচ চালানোর জন্য ভাড়া দিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে ২২ হাজার কোটিরও বেশি অঙ্কের ঋণখেলাপী হওয়ার পরিসংখ্যান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন একসময় বিজেপি সমর্থিত প্রাক্তন সাংসদ সুভাষ। জানাচ্ছেন, এই অঙ্কটি মূলত তাঁর গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত সংস্থাগুলির নেওয়া ঋণের বিপরীতে তাঁর দেওয়া ব্যক্তিগত গ্যারান্টি। তিনি জোর দিয়ে জানিয়েছেন, ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির থেকে তিনি ব্যক্তিগত ভাবে ওই টাকা ঋণ নেননি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement