উপনির্বাচনে জিতলেন সুনেত্রা পওয়ার। কংগ্রেস ওয়াকওভার দেওয়ায় নির্বাচনের আগেই জয়ী হলেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী। বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) প্রধান অজিত পওয়ার প্রাণ হারানোর পর এনসিপির হাল ধরেন তিনি। সেই সঙ্গে তিনিই হন নতুন উপ মুখ্যমন্ত্রী। এবার উপনির্বাচনে জয়ী হলেন।
গত রবিবার মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস সভাপতি হর্ষবর্ধন সপকালকে ফোন করে বারামতী কেন্দ্রে কোনও প্রার্থী না দেওয়ার আর্জি জানান সুনেত্রা। কিন্তু সেই সময় শোনা গিয়েছিল, হাত শিবির এই অনুরোধ রাখবে না বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এমনকী, এও জানা যায়, কংগ্রেস একজন প্রার্থীও ঠিক করে ফেলেছে। কিন্তু বৃহস্পতিবার হর্ষবর্ধন জানান, তাঁদের অমর মোরে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। আর তাতেই নিশ্চিত হয়ে যায়, প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন ভাবে বারামতী উপনির্বাচনে জয়ী হচ্ছেন সুনেত্রাই।
বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) প্রধান অজিত পওয়ার প্রাণ হারানোর পর এনসিপির হাল ধরেন তিনি। সেই সঙ্গে তিনিই হন নতুন উপ মুখ্যমন্ত্রী। এবার উপনির্বাচনে জয়ী হলেন।
হর্ষবর্ধন জানান, ভারতের নির্বাচন কমিশন বিজেপির ‘বি-টিম’ হিসেবে কাজ করছে, এমন আশঙ্কায় ‘আদর্শগত লড়াই’ হিসেবেই কংগ্রেস সুনিত্রার বিরুদ্ধে প্রার্থী দাঁড় করিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দল তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে। আর তা করা হয়েছে অজিত পাওয়ারের প্রতি শ্রদ্ধা থেকে, যিনি অতীতে মহারাষ্ট্রে কংগ্রেস-নেতৃত্বাধীন সরকারগুলির অংশ ছিলেন।
এনসিপির জাতীয় সভাপতি হিসাবে সুনেত্রার নামে সিলমোহর পড়ে অজিতের প্রয়াণের পরে। প্রবীণ এনসিপি নেতা প্রফুল প্যাটেল প্রথম খবরটি প্রকাশ্যে আনেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর সুনেত্রা তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘মহারাষ্ট্রের উন্নয়নের প্রতি অজিত পওয়ারের আজীবন প্রতিশ্রুতি এবং জনগণের প্রতি আমার অক্লান্ত পরিশ্রম আমাকে সর্বদা পথ দেখাবে।’ তিনি বলেন, “আমি ওঁর অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে চাই। কৃষক, মহিলা, যুব এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে চাই।” পরবর্তী সময়ে তিনি উপ মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। আর সেই পদ ধরে রাখার জন্য তাঁকে উপ নির্বাচনে জিততেই হত। অবশেষে কংগ্রেস প্রার্থী সরিয়ে নেওয়ায় অনায়াসেই জয়ী হলেন তিনি।
