শেষ হল অসম, কেরল এবং পুদুচেরির ভোটগ্রহণ। পুদুচেরিতে ইতিহাস তৈরি হল ভোটদানের নিরিখে। গত বছরের বিধানসভা ভোটের নিরিখে বেড়েছে অসমে এবারের ভোটদানের হার। কেরলেও গতবারের তুলনায় ভোটদানের হার বেড়েছে। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে ইতিহাস তৈরি হল বৃহস্পতিবারের বিধানসভা নির্বাচনে। ৮৯ শতাংশেরও বেশি ভোটার নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছেন এদিন।
বৃহস্পতিবার সকাল সাতটা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয় দুই রাজ্য ও এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। সন্ধে ৬টা পর্যন্ত তিন বিধানসভা নির্বাচনেই ছিল ভোটারদের ভিড়। অসম এবং পুদুচেরিতে এবার সরাসরি লড়াই বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের। অন্যদিকে, কেরলে মূল লড়াই বাম নেতৃত্বাধীন এলডিএফ এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফের। ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে সন্ধে ৬টায়। পরিসংখ্যান বলছে, পুদুচেরিতে ভোট পড়েছে ৮৯.০৮ শতাংশ, সর্বকালের সবচেয়ে বেশি।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কেরলে ৭৪.০৬ শতাংশ ভোট পড়েছিল। এবছর সেটা বেড়ে ৭৭.৩৮ শতাংশে পৌঁছেছে। তবে গতবারের তুলনায় এবছর অসমে ভোটদানের হার বেশ খানিকটা বেড়েছে। ২০২১ সালে ৮২.০৪ শতাংশ ভোট পড়েছিল হিমন্ত বিশ্বশর্মার রাজ্যে। এবছর সেই সংখ্যাটা ৮৫.০৪ শতাংশ। রাজ্যবাসীর ভোটদানে খুশি অসমের মুখ্যমন্ত্রী। জানিয়েছেন, "সমস্ত ভেদাভেদ ভুলে অসমবাসী ভোট দিয়েছেন যেন তাঁদের রাজ্য সুরক্ষিত থাকে।" তবে অসমে ভোট হিংসায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, অসমে পরপর দু’বার সরকারে বিজেপি। প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ক্ষমতা ধরে রাখার লড়াইয়ে নামছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী গৌরব গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস। বিভিন্ন জনমত সমীক্ষায় অসমে বিজেপিকে এগিয়ে রাখছে। যদিও কংগ্রেসের দাবি, অসমে পরিবর্তনের চোরাস্রোত বইছে। যেভাবে অহমের মূল নিবাসীরা বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে, তাতে রাজ্যে পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। যদিও বিজেপি ১০০ আসন জয়ের টার্গেট বেঁধে রেখেছে। রেকর্ড হারে ভোটদানের পর শেষ পর্যন্ত অসমবাসী কার দিকে ঝুঁকলেন, উত্তর মিলবে ৪ মে।
