shono
Advertisement

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কেন বাদ প্রধান বিচারপতি? কেন্দ্রকে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের

কেন্দ্রের বিতর্কিত আইনে অবশ্য স্থগিতাদেশ দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট।
Posted: 12:45 PM Jan 12, 2024Updated: 01:06 PM Jan 12, 2024

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিতর্কিত নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল নিয়ে এবার কেন্দ্রকে নোটিস দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। কেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়া হল প্রধান বিচারপতিকে? ব্যাখ্যা চায় শীর্ষ আদালত। তবে কেন্দ্রের পাশ করানো ওই আইনে এখনও স্থগিতাদেশ দেয়নি সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

Advertisement

গত বছর মার্চ মাসে এক ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের ক্ষমতা একচ্ছত্রভাবে মন্ত্রিসভার হাতে থাকবে না। এদের নিয়োগ করবে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতির যৌথ কমিটি। এই কমিটির সুপারিশ মেনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ করবেন। যদি কখনও লোকসভায় বিরোধী দলনেতা পদে কেউ না থাকেন, তাহলে বৃহত্তম বিরোধী দলের নেতাকেই এই কমিটিতে নেওয়া হবে। যার ফলে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের অধিকার ন্যস্ত হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরী (Adhir Chowdhury) এবং প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের (DY Chandrachud) কমিটির উপর।

[আরও পড়ুন: নিজের মৃত্যু কি আগেই বুঝতে পেরেছিলেন বিবেকানন্দ! কী হয়েছিল শেষ দিন?]

কিন্তু শীতকালীন অধিবেশনে পালটা আইন এনে সুপ্রিম কোর্টের সেই রায় কার্যত অকেজো করে দেয় কেন্দ্র। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার (সংশোধনী) বিল অনুযায়ী, এবার থেকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতির কোনও ভূমিকা থাকবে না। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগ করবেন প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ করা মন্ত্রিসভার এক সদস্য। অর্থাৎ ৩ সদস্যের কমিটির দুই সদস্যই হবেন সরকারি প্রতিনিধি। সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনার পদে কারণ নাম নিয়ে বিরোধী দলনেতার আপত্তি থাকলেও সংখ্যাধিক্যের বলে সরকার তাঁকে উপেক্ষা করতে পারবে। শীতকালীন অধিবেশনে এই বিল দুই কক্ষেই পাশ হয়ে গিয়েছে। রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে সেটি আইনেও পরিণত হয়েছে।

[আরও পড়ুন: বিলকিস কাণ্ডে ৯ অভিযুক্ত নিখোঁজ! তালা ঝুলছে গুজরাটের গ্রামের বাড়িতে!]

সেই আইনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। কংগ্রেস (Congress) নেত্রী জয়া ঠাকুরের করা মামলায় দাবি করা হয়, ওই মামলা বিচারবিভাগের ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করছে। তাই আইনটিতে স্থগিতাদেশ দেওয়া হোক। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তর ডিভিশন বেঞ্চ সেই স্থগিতাদেশ দেওয়ার দাবি না মানলেও এই আইনের ব্যাখ্যা চেয়ে কেন্দ্রকে নোটিস পাঠিয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement