shono
Advertisement
Bar Council

আইন পড়ুয়াদের লাইসেন্স আটকাতে চেয়েছিলেন, সেই বার কাউন্সিল প্রধানের ক্ষমতায় রাশ সুপ্রিম কোর্টের

নতুন করে বার কাউন্সিলের নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকাল কেউ পদে থাকতে পারে না, বলছে সুপ্রিম কোর্ট।
Published By: Subhajit MandalPosted: 07:35 PM Sep 02, 2026Updated: 07:35 PM Sep 02, 2026

বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার কাজকর্মে এবার থেকে নজরদারি চালাবেন ভারত সরকারের অ্যাটর্নি জেনারেল এবং সলিসিটর জেনারেল। বার কাউন্সিলের সভাপতি মনন কুমার মিশ্র আর স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন না। এমনকী যেভাবে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ ৫ বছর করে দেওয়া হয়েছে, তাতেও আপত্তি জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, দ্রুত বার কাউন্সিলে নির্বাচন করাতে হবে। যতদিন না সেটা হচ্ছে, ততদিন মনন মিশ্র 'অস্থায়ী' অর্থাৎ প্রোটেম চেয়ারম্যান হিসাবে কাজ করবেন।

Advertisement

এমনি বার কাউন্সিলের সভাপতি ও সহ-সভাপতিদের মেয়াদ ২ বছরের। কিন্তু মনন কুমার মিশ্র আইনের ফাঁকে সেটি বাড়িয়ে ৫ বছর করে নিয়েছেন। আপাতত ২০৩০ সাল পর্যন্ত বার কাউন্সিলের প্রধান পদে থাকার কথা তাঁর। তাতেই আপত্তি জানায় শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট বলে, "যেখানে নিয়মে দু’বছরের কথা স্পষ্ট বলা আছে, সেখানে কীভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি করে তিন বছরের মেয়াদ বাড়িয়ে পাঁচ বছর করা যায়?"

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, বিসিআই সভাপতির পদে বর্তমান থাকা কেবল একটি সাময়িক বা ‘প্রোটেম’ ব্যবস্থা। নতুন করে বার কাউন্সিলের নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকাল কেউ পদে থাকতে পারে না। শীর্ষ আদালত সাফ বলে দিয়েছে, বার কাউন্সিলের বর্তমান সভাপতি আর কোনও নীতিগত সিদ্ধান্ত একা নিতে পারবেন না। সেটা করতে হলে, অ্যাটর্নি জেনারেল এবং সলিসিটর জেনারেলের অনুমতি নিতে হবে।

এই মনন মিশ্র বেশ কিছুদিন ধরে এমনিই শিরোনামে। দিন কয়েক আগে হায়দরাবাদের ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ লিগাল স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চ ইউনিভার্সিটির সমাবর্তন উৎসবে প্রধান অতিথি হিসাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে। এর বিরোধিতা করেন পড়ুয়াদের একাংশ। নেপথ্যে প্রধান বিচারপতির ‘ককরোচ’ মন্তব্য। শেষমেশ পড়ুয়াদের বিক্ষোভের জেরে নালসার সমাবর্তনে যেতে পারেননি প্রধান বিচারপতি। তাতে ক্ষোভপ্রকাশ করেন এই মনন মিশ্র। বার কাউন্সিলের তরফে এক নির্দেশিকায় দেশের সব বার কাউন্সিলকে জানিয়ে দেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হায়দরাবাদের ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ লিগ্যাল স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চের ২০২৬ সালের কোনও স্নাতককেই কোনও রাজ্যের বার কাউন্সিলে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হবে না। তাঁর ওই নির্দেশ নিয়ে ঘোর বিতর্ক হয়। পরে ওই বিতর্কের জেরে সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসনে মনন। এবার তাঁর নিজের পদ নিয়েই টানাটানি শুরু হয়ে গেল।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement