সপ্তাহখানেক আগেই বিতর্ক ঘনিয়েছিল তামিলনাড়ুতে। নতুন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে জনগণমন, বন্দে মাতরমের পর একেবারে শেষে গাওয়া হয়েছিল রাজ্যসঙ্গীত 'তামিলথাই ভাজথু'। যা নিয়ে তীব্র বিতর্ক হয়েছিল। যদিও নতুন সরকার জানিয়েছিল কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তি মেনেই এমন নির্দেশ। পাশাপাশি আশ্বাসও দিয়েছিল এমনটা আর হবে না। কিন্তু ফের ২৩ জন বিধায়কের শপথগ্রহণের সময়ও একই দৃশ্য দেখা গেল। তৃতীয় গান হিসেবে গাওয়া হল রাজ্যসঙ্গীত। যাকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ডিএমকের খোঁচা, কোথায় গেল বিজয়ের 'গ্যারান্টি'?
যদিও টিভিকে এবারও আগের যুক্তিটাই দিয়েছে। জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত রাজ্যপালের। বিজয়ের দলের নেতা নানজিল সম্পথ বলেছেন, ''লোকভবনে আজকের শপথগ্রহণের অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছিল। সেখানে তামিল রাজ্যসঙ্গীত একেবারে শেষে গাওয়া হয়েছিল। এতে তামিলনাড়ু সরকারের কোনও ভূমিকা নেই। তবে বিধানসভায় রাজ্যসঙ্গীতই প্রথমে গাওয়া হবে।'' এদিকে ডিএমকে মুখপাত্র সর্বাণন আন্নাদুরাই এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, 'আপনার দেওয়া গ্যারান্টি কোথায় গেল? আগের বার আশ্বাস দেওয়ার পরও টিভিকে ফের ব্যর্থ হল। ওরা তামিলদের অধিকার রক্ষা করতে পারবে না।'
নতুন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে জনগণমন, বন্দে মাতরমের পর একেবারে শেষে গাওয়া হয়েছিল রাজ্যসঙ্গীত 'তামিলথাই ভাজথু'। যা নিয়ে তীব্র বিতর্ক হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, তামিলনাড়ুর সরকারি অনুষ্ঠানের রীতি হল প্রথম তামিল রাজ্য সঙ্গীত ‘তামিলথাই ভাজথু’ গাওয়া হবে। এর পর গাওয়া হবে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’। যদিও টিভিকে সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রথম ‘বন্দে মাতরম’, তারপর ‘জনগণমন’ এবং সবে শেষে ‘তামিলথাই ভাজথু’ গাওয়া হয়। প্রশ্ন উঠেছিল, তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকারকে খুশি করার জন্যই কি প্রথা ভাঙা হল!
পাশাপাশি বন্দে মাতরমের বিস্তারিত অংশ গাওয়ায় টিভিকের ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ভিসিকে প্রধান থিরুমাভালাভান। তিনি বলেন, “একটি ধর্মনিরপেক্ষ সরকার গড়ার দাবি করে টিভিকে কংগ্রেস, বাম দলগুলো, আইইউএমএল এবং ভিসিকে-র কাছে সমর্থন চেয়েছিল। কিন্তু শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের কাণ্ড টিভিকেকে সমর্থন করা দলগুলোর মধ্যে ব্যাপক অস্বস্তি সৃষ্টি করেছে।”
