shono
Advertisement

আরজেডির বহিষ্কৃত দলিত নেতা খুন, অভিযোগ তেজস্বী ও তেজপ্রতাপ যাদবের বিরুদ্ধে

বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ধরনের ঘটনা রাজনৈতিক প্রতিহিংসারই উদাহরণ, অভিযোগ বিরোধীদের।
Posted: 05:36 PM Oct 06, 2020Updated: 05:44 PM Oct 06, 2020

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দলিত সম্প্রদায়ের বহিষ্কৃত এক আরজেডি নেতাকে খুনের ঘটনায় এফআইআর দায়ের হল বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের দুই ছেলে তেজপ্রতাপ ও তেজস্বীর নামে। তাঁরা ছাড়া এই মামলায় আরও চার জনের নামে অভিযোগ নথিভুক্ত হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ধরনের ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলেই উল্লেখ করেছে বিরোধীরা।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানান গিয়েছে, রবিবার বিহারের পূর্ণিয়া জেলায় অবস্থিত নিজের বাড়িতেই খুন হন গত ১১ সেপ্টেম্বর আরজেডি (RJD) থেকে বহিষ্কৃত হওয়া নেতা শক্তি মালিক। তিন জন অজ্ঞাত পরিচয়ের স্বশস্ত্র দুষ্কৃতী এসে তাকে খুন করে বলে অভিযোগ। এরপরই মৃতের স্ত্রী খুশবু দেবী তাঁর স্বামীর খুনের পিছনে গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ জানিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন। তার ভিত্তিতেই সোমবার লালুপ্রসাদ যাদবের দুই ছেলে-সহ মোট ৬ জনের নামে অভিযোগ দায়ের হয়। তেজস্বী (Tejashwi) ও তেজপ্রতাপ (Tej Pratap) ছাড়াও বাকিরা হলেন কেন্দ্রীয় রামবিলাস পাসওয়ানের জামাই ও সদ্য আরজেডিতে যোগ দেওয়া অনিল সাধু, কালো পাসওয়ান, তাঁর স্ত্রী সুনীতা দেবী ও মনোজ পাসওয়ান।

[আরও পড়ুন: মিথ্যে বলতে ৫০ লক্ষ টাকা ‘ঘুষ’ দেওয়া হয় হাথরাসের নির্যাতিতার পরিবারকে! দাবি পুলিশের ]

সূত্রের খবর, প্রয়াত শক্তি মালিক আরারিয়ার জেলার রানীগঞ্জ বিধানসভা আসন থেকে বিধানসভা ভোটে লড়তে চেয়েছিলেন। কিন্তু, এই বিষয়ে নিয়ে ঝামেলার জেরে তাঁকে গত সেপ্টেম্বর মাসে দল থেকে বহিষ্কৃত করা হয়। যদিও রবিবার শক্তি মালিক খুন হওয়ার পরেই সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি ভিডিও পোস্ট হয়েছে। যেখানে মৃত ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যাচ্ছে, আরজেডির টিকিটে বিধানসভা আসনে দাঁড় করানোর জন্য তাঁর থেকে ৫০ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন তেজস্বী যাদব ও অনিল সাধু। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে এই বিষয়ে অভিযোগ জানানোর কারণেই তাঁকে দল থেকে বহিষ্কৃত করা হয়।

এপ্রসঙ্গে পূর্ণিয়া জেলার পুলিশ সুপার বিশাল শর্মা জানান, এই ঘটনায় একটি অভিযোগ দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, শক্তি মালিক আরারিয়া জেলার রানীগঞ্জ আসন থেকে ভোট লড়তে চেয়েছিলেন। এই বিষয়টি নিয়ে সেখানকার নেতা কালো পাসওয়ানের সঙ্গে তাঁর বিবাদ তৈরি হয়েছিল। একাধিক বার দলের মধ্যে বিভিন্ন মিটিংয়ে এই বিষয় নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে কটু মন্তব্য করেছিলেন তাঁরা। বর্তমানে মৃতের স্ত্রীর জবানবন্দির ভিত্তিতে ৬ জনের নামে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে।

[আরও পড়ুন: লাদাখে সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যেই মুখোমুখি মোদি-জিনপিং! BRICS বৈঠকে হবে সাক্ষাৎ]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement