বছরে ২ কোটি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসা মোদি সরকারের ব্যর্থতা ফের একবার প্রকাশ্যে। চলতি বছরের প্রথম মাসেই দেশে বেকারত্বের হার বেড়ে হল ৫ শতাংশ। সোমবার মোদি সরকারের ব্যর্থতার এই খতিয়ান তুলে ধরেছে খোদ কেন্দ্রের রিপোর্ট। দাবি করা হয়েছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে দেশের বেকারত্বের হার যেখানে ৪.৮ শতাংশ ছিল, সেটাই জানুয়ারি মাসে আরও বেড়েছে।
পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি মন্ত্রকের অধীনস্থ জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস (এনএসও)-এর প্রকাশিত সমীক্ষাতে দাবি করা হয়েছে, গত একমাসে গ্রাম ও শহর দুই ক্ষেত্রেই বেকারত্বের হার বেড়েছে। দুই ক্ষেত্রেই শ্রমশক্তি অংশগ্রহণের হার (এলএফপিআর) ও শ্রমিক জনসংখ্যা অনুপাত (ডব্লিউপিআর) কম দেখানো হয়েছে। সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, গ্রামীণ ক্ষেত্রে বেকারত্ব বৃদ্ধির কারণেই এই সূচক খানিকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর নেপথ্যে রয়েছে আবহাওয়াগত কারণ, ফসল কাটার পরবর্তী মন্দা ও কৃষিক্ষেত্রে নাগরিকদের উৎসাহহীনতা।
সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, গ্রামীণ ক্ষেত্রে বেকারত্ব বৃদ্ধির কারণেই এই সূচক খানিকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর নেপথ্যে রয়েছে আবহাওয়াগত কারণ, ফসল কাটার পরবর্তী মন্দা ও কৃষিক্ষেত্রে নাগরিকদের উৎসাহহীনতা।
পাশাপাশি সরকারি রিপোর্টে আরও জানানো হয়েছে, শীতকালে এই হার বাড়ার নেপথ্যে আরও বেশকিছু কারণ রয়েছে, যেমন শীতকালে নির্মাণ ক্ষেত্রে, কৃষিক্ষেত্র, পরিবহণ ও ক্ষুদ্র ব্যবসার মতো জায়গাগুলির গতি কিছুটা কমে যায়। যার বড় প্রভাব পড়ে এই ক্ষেত্রে। তবে সরকারের তরফে কারণ দর্শানো হলেও তথ্য বলছে দেশে বেকারত্বের করুণ ছবিতে খুব বিশেষ বদল আসেনি। গত ডিসেম্বর মাসে প্রথমবারই ৫ শতাংশের নিচে নেমেছিল বেকারত্বের হার। তাছাড়া বরাবরই এই হার উপরের দিকেই থাকে।
উল্লেখ্য, গত বছরের এপ্রিল থেকে প্রতিমাসেই দেশে বেকারত্বের হিসাব সামনে আনছে কেন্দ্রীয় সরকার। তুলে ধরা হচ্ছে ত্রৈমাসিক রিপোর্টও। সদ্য প্রকাশিত বেকারত্বের হার বৃদ্ধির রিপোর্টে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, দেশে কর্মসংস্থানের বিপুল ঘাটতি রয়েছে। শিক্ষিত যুবকরা চাকরি পাচ্ছেন না। সরকার চাকরির ক্ষেত্র বাড়াতে নানা ধরনের সরকারি প্রকল্পের উদ্যোগ নিলেও ছবিটা খুব একটা বদলায়নি।
