shono
Advertisement

অসমে বিপাকে কংগ্রেস, ভোটের আগে দলত্যাগ তিন বারের বিধায়কের, দল ছাড়বেন আর ক'জন?

বিধানসভা ভোটের আগে অসমে আরও বিপাকে কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি ভূপেন বরার ইস্তফাপত্র ঘিরে টানাপড়েনের মধ্যে দল ছাড়লেন তিন বারের বিধায়ক।
Published By: Saurav NandiPosted: 09:25 PM Feb 16, 2026Updated: 09:43 PM Feb 16, 2026

বিধানসভা ভোটের আগে অসমে আরও বিপাকে কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি ভূপেন বরার ইস্তফাপত্র ঘিরে টানাপড়েনের মধ্যে দল ছাড়লেন তিন বারের বিধায়ক। যোগ দিলেন আঞ্চলিক দল রাইজোর দলে। শুধু তা-ই নয়, মঙ্গলবার অসমে কংগ্রেসের আরও বিধায়ক দল ছাড়তে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

Advertisement

সোমবার রাইজোর দলে যোগ দিয়েছেন গোয়ালপাড়া পশ্চিমের কংগ্রেস বিধায়ক রশিদ মণ্ডল। তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন দলের প্রধান তথা শিবসাগরের বিধায়ক অখিল গগই। যোগদানের পর রশিদ বলেন, "অখিল গগইয়ের নেতৃত্বাধীন রাইজোর দলে যোগ দিয়ে ভীষণ খুশি হয়েছি। উনি বামপন্থী চিন্তাধারার মানুষ। ছাত্রজীবন থেকেই ওঁর ভক্ত।" তাঁর সংযোজন, "কংগ্রেস নিয়ে আমার কোনও ক্ষোভ নেই। শুধু আমার মনে হয়, রাইজোর দলে থেকে আরও ভালো করা কাজ করতে পারব।"

রশিদের যোগদান কর্মসূচিতেই অখিল দাবি করেন, মঙ্গলবার বাঘবরের তিন বারের কংগ্রেস বিধায়ক শরমন আলি আহমেদ তাঁর দলে যোগ দেবেন। অখিলের কথায়, "এতে আমাদের বিধায়ক সংখ্যা এক থেকে তিন হয়ে যাবে। এবারের ভোটে আমরা অন্তত ১৫টা আসনে জিততে চাইছি। পরের নির্বাচনে এরাজ্যে সরকার গড়ব আমরা।"

প্রসঙ্গত, সোমবার সকালে খবর পাওয়া গিয়েছিল যে, অসমের প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভূপেন দল থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। বেলায় ভূপেন নিজেই জানান, দলের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। দুপুরে অসমে দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা জিতেন্দ্র সিং দাবি করেন, ভূপেন পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ভূপেনের পাল্টা দাবি, সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য তিনি কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বের কাছ থেকে সময় চেয়েছেন।

ভূপেনের পদত্যাগের খবর ছড়াতেই আসরে নামেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্বশর্মা। ভূপেন বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন, এমন জল্পনা উস্কে দিয়ে হিমন্ত জানান, তিনি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভূপেনের বাড়িতে যাবেন। তিন বছর আগেই বিজেপি ভূপেনকে স্বাগত জানানোর জন্য প্রস্তুত ছিল বলেও দাবি করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে হিমন্ত কী করেন, তা নিয়ে অবশ্য অসমের রাজ্য রাজনীতিতে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement