যত সময় যাচ্ছে ততই সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে নিজের প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এই পরিস্থিতিতে রবিবার বাজেট ঘোষণার সময়ও অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ উল্লেখ করলেন এআই প্রসঙ্গ। জানিয়ে দিলেন, পরিষেবা ক্ষেত্রে এআই-এর মতো নতুন প্রযুক্তির প্রভাব পর্যালোচনা করার জন্য একটি নতুন কমিটি গঠন করা হবে। অর্থাৎ কর্মক্ষেত্রে, বলা যায় চাকরির উপরে এআই-এর প্রভাবের মূল্যায়ন করাই ওই উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটির দায়িত্বে থাকবে।
এদিন এই প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রীকে বলতে শোনা গিয়েছে, ''তরুণ ভারতের আকাঙ্ক্ষা পূরণের পথ প্রশস্ত করার জন্য আমি এক উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন 'শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থান ও উদ্যোগ' বিষয়ক স্থায়ী কমিটি গঠনের প্রস্তাব করছি। যা অর্থনৈতিক বৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে পরিষেবা খাতের উপর দৃষ্টিনিক্ষেপ করবে।''
প্রতীকী ছবি
পরিষেবা ক্ষেত্রে এআই-এর মতো নতুন প্রযুক্তির প্রভাব পর্যালোচনার জন্য একটি নতুন কমিটি গঠন করবে কেন্দ্র। বাজেটে এদিন এমনই ঘোষণা করলেন নির্মলা সীতারমণ।
প্রসঙ্গত, বাজেট পেশের আগেই দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি সংস্থাগুলি আশাপ্রকাশ করেছিল যে এআই অর্থনীতির উপরে জোর দেওয়া হবে এবারের বাজেটে। ২৯ তারিখে সংসদে পেশ করা অর্থনৈতিক সমীক্ষায় এআই-কে একটি মর্যাদা প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা হিসেবে না দেখে আর্থিক অর্থনৈতিক কৌশল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে এদিন নির্মলার এই ঘোষণাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
প্রসঙ্গত, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের কারণেই নাকি বিলুপ্তি ঘটতে পারে মানুষের একাধিপত্যের! এমন আশঙ্কা ক্রমশ জোরদার হচ্ছে। বিশেষ করে চ্যাটজিপিটির মতো বটের আবির্ভাবের পর থেকেই সে সম্ভাবনা আরও জোরাল হয়েছে। এর আগে এমন আশঙ্কার কথা শুনিয়ে গিয়েছেন স্টিফেন হকিংয়ের মতো বিজ্ঞানী। একই সুর শোনা গিয়ে সদ্য নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীর মুখেও। সব মিলিয়ে বর্তমান পৃথিবীতে এআইকে অগ্রাহ্য করা সম্ভব নয়।
বাজেট পেশের আগেই দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি সংস্থাগুলি আশাপ্রকাশ করেছিল যে এআই অর্থনীতির উপরে জোর দেওয়া হবে এবারের বাজেটে।
এদিকে এদিন নবমবার বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। যা নজিরবিহীন। আগামী বছর বাজেট পেশ করলেই তিনি দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মুরারজি দেশাইয়ের দশবার বাজেট পেশের কৃতিত্বকেও স্পর্শ করবেন।
