সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে ওয়াকফ বোর্ড দুর্নীতির ইস্যুতে সিবিআই তদন্ত চান মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় রাজ্য জুড়ে শিয়া ও সুন্নি সম্প্রদায়ের ওয়াকফ বোর্ডগুলিকে বরখাস্ত করার কয়েক ঘণ্টা পরেই এই সুপারিশ দেন যোগী। দুই ওয়াকফ বোর্ডের বিরুদ্ধে কোটা কোটি টাকার আর্থিক তছরুপের অভিযোগ উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী চান সিবিআই যেন এই দুর্নীতির তদন্ত করে। এই কথা জানিয়েছেন ওয়াকফ বিষয়ক মন্ত্রী মহসিন রাজা।
[প্যারোলে মুক্ত হয়ে সটান স্পা-তে, বাহুবলী দেখে ফেরার স্বঘোষিত ‘হিন্দু দেবী’]
রাজার দাবি, ওয়াকফ কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার অন্তর্তদন্তে এই আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনা উঠে এসেছে। আইনি পদ্ধতিতে বোর্ডগুলিকে ভেঙে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। প্রসঙ্গত, সম্পত্তি নিয়ে দুই সম্প্রদায়ের ওয়াকফ বোর্ডগুলির বিরুদ্ধে এই আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠে এসেছে। ওয়াকফ কাউন্সিলের তদন্তে শিয়া ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান ওয়াসিম রিজভি এবং পূর্বতন সরকারের ওয়াকফ মন্ত্রী তথা সমাজবাদী পার্টির নেতা আজম খানের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচনে সপার ভরাডুবির দু’সপ্তাহ পরই ওয়াকফ কাউন্সিলের রিপোর্ট প্রকাশ হয়। তার পরেই উত্তরপ্রদেশ ও ঝাড়খণ্ডের ওয়াকফ বোর্ডগুলির দায়িত্বে থাকা সৈয়দ এজাজ আব্বাস নকভির নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় ওয়াকফ কাউন্সিল। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট মহসিন রাজা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠান।
[‘কিছুই ভুল বলিনি’, মুণ্ডচ্ছেদ বিতর্কে অনড় রামদেব]
রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রাক্তন মন্ত্রী আজম খান নিজের প্রভাব খাটিয়ে বোর্ডের নাম করে প্রচুর সম্পত্তি দখল করেছেন। ওয়াকফ বোর্ডের সম্পত্তিগুলি থেকে প্রাপ্ত অর্থ মৌলানা জোহর আলি এডুকেশন ট্রাস্ট বানিয়ে তাতে স্থানান্তর করার অভিযোগ উঠেছে আজমের বিরুদ্ধে। রিপোর্টে সুপারিশ করা হয়েছে, অবিলম্বে বোর্ডগুলিকে ভেঙে দেওয়া হোক এবং অভিযুক্ত আধিকারিকরা বোর্ডের অফিসে যেন না ঢুকতে পারে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আজম খান।
The post ওয়াকফ বোর্ডগুলিতে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি, সিবিআই তদন্ত চান যোগী appeared first on Sangbad Pratidin.
