shono
Advertisement
Uttar Pradesh

রাস্তার ধারে উদ্ধার মহিলার ক্ষত-বিক্ষত দেহ, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এআইয়ের সাহায্যে খুনের কিনারা করল পুলিশ!

ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের। গত ৬ ফেব্রুয়ারি যমুনা এক্সপ্রেসওয়ের খান্ডৌলি এলাকায় ওই মহিলার দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় এক যুবক। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, মহিলার মুখে এবং ঘাড়ে গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 10:19 PM Feb 09, 2026Updated: 10:46 PM Feb 09, 2026

রাস্তার ধারে কম্বলে মোড়া অবস্থায় উদ্ধার হয়েছিল এক মহিলার ক্ষত-বিক্ষত দেহ। তদন্তে নেমে কার্যত নাকানি চোবানি খেতে হয় পুলিশকে। কিন্তু কে জানত ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই খুনের কিনারা হয়ে যাবে! সৌজন্যে কৃত্রিম বুদ্ধমত্তা বা এআই।

Advertisement

ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের। গত ৬ ফেব্রুয়ারি যমুনা এক্সপ্রেসওয়ের খান্ডৌলি এলাকায় ওই মহিলার দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় এক যুবক। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, মহিলার মুখে এবং ঘাড়ে গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল। কিন্তু তদন্তে নেমে তাঁর পরিচয় কিছুতেই জানা যাচ্ছিল না। তবে ওই মহিলার হাতে দু’টি উল্কি ছিল। যেখানে লেখা ছিল, ‘আর এস’ এবং ‘সানি’। শনাক্তকরণের জন্য মৃতের ছবি বিভিন্ন থানায় পাঠায় পুলিশ। কিন্তু কোনও উত্তর মিলছিল না।

এই পরিস্থিতিতে তদন্তে সাফল্যে পেতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে নেন তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রে খবর, মহিলার মুখে গুরুতর আঘাত থাকায় তাঁকে শনাক্ত করা দুস্কর হয়ে গিয়েছিল। এরপরই মৃতদেহের ছবিটিকে এআই টুলে ফেলা হয়। মৃতের মুখের বৈশিষ্টগুলি পুনর্গঠন করা হয়। শুধু তা-ই নয়, প্রযুক্তির মাধ্যমে মৃতের চোখও খোলা হয়। যাতে শনাক্তকরণে সুবিধা হয়। এরপর মৃতের সেই নতুন ছবি বিভিন্ন জায়গায় প্রচার করা হয়। তারপরই সানি নামে এক যুবকের সন্ধান পান তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রে খবর, জেরায় নিজের দোষ স্বীকার করে নিয়েছেন অভিযুক্ত। কিন্তু কেন মহিলাকে খুন করলেন সানি? পুলিশের দাবি, জেরায় অভিযুক্ত জানিয়েছেন, ওই মহিলার সঙ্গে একত্রবাসে ছিলেন সানি। কিন্তু আর তিনি থাকতে রাজি ছিলেন না। তাই মহিলাকে রাস্তা থেকে সরাতেই তাঁকে খুন করেন অভিযুক্ত।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement