shono
Advertisement
T20 World Cup

গেম ইজ অন... যথা সময়েই হচ্ছে ভারত-পাক মহারণ, বয়কট নাটক শেষ করল পাক সরকার

এই বয়কট নাটকের পর এই ম্যাচের গুরুত্ব ও উত্তাপ যে আরও বাড়বে, তা নতুন করে বলার নয়। সব দিক থেকে কোণঠাসা হয়ে বয়কট তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল পাকিস্তান। এবার মাঠের লড়াইয়ে সূর্যকুমাররা তাদের কেমন চাপে ফেলেন, সেটাই দেখার।
Published By: Arpan DasPosted: 10:34 PM Feb 09, 2026Updated: 12:09 AM Feb 10, 2026

সব নাটকের অবসান! বয়কট নাটক শেষ করে ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে পাকিস্তান। আইসিসি'র সঙ্গে বৈঠকের পরই একপ্রকার স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তান পালটি খেতে পারে। সেটাই বাস্তবায়িত হল। 'গেম ইজ অন'। সোমবার রাতে বিবৃতি জারি ম্যাচ খেলার কথা ঘোষণা করল শাহবাজ সরকার।  অর্থাৎ ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে সেই বহুপ্রতীক্ষিত ভারত-পাক মহারণ। তবে বয়কট নাটকের পর এই ম্যাচের গুরুত্ব ও উত্তাপ যে আরও বাড়বে, তা নতুন করে বলার নয়।

Advertisement

১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করেছিল, বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ভারতের বিরুদ্ধে তারা মাঠে নামবে না। বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেয় তারা। কিন্তু ঘটনাক্রম যেদিকে গড়ায়, তাতে ক্রমশ চাপ বাড়ে পাকিস্তানের উপর। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড পিসিবি'কে কড়া চিঠিও লেখে পাকিস্তান। টিকিট বিক্রির কথাও তুলে ধরা হয়। ম্যাচ না হলে বিরাট আর্থিক ক্ষতি হত পাকিস্তানের। ছিল শাস্তির ভয়ও। কিন্তু যেহেতু বয়কট ঘোষণা করে বসেছিল, তাই পালটি খাওয়া সহজ ছিল না।

১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে সেই বহুপ্রতীক্ষিত ভারত-পাক মহারণ। তবে এই বয়কট নাটকের পর এই ম্যাচের গুরুত্ব ও উত্তাপ যে আরও বাড়বে, তা নতুন করে বলার নয়।

এর মধ্যে লাহোরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের সঙ্গে মিটিং করেন আইসিসি'র প্রতিনিধিরা। বৈঠকে ছিলেন পাক বোর্ডের প্রধান মহসিন নকভি। তাঁর পাশে থাকার জন্য লাহোরে যান বাংলাদেশ বোর্ডের প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম বুলবুল। সেখানে মহসিন নকভি একাধিক দাবি জানান। যেগুলো মানলে তারা বয়কট তুলবে বলে জানা গিয়েছিল। যার মধ্যে ছিল ভারতের সঙ্গে হাত মেলানো কিংবা দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। তবে সব দাবিই আইসিসি খারিজ করে দেয়। এরপর পাক বোর্ডের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিসিবি প্রধান বুলবুল পাকিস্তানকে বয়কট তুলে নিতে বলেন। 

এদিন আবার পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকে বসেন নকভি। বৈঠক শেষে শাহবাজ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা এবং আরব আমিরশাহী ক্রিকেট বোর্ডের তরফে পাকিস্তান সরকারের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছিল ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বাতিল না করার। পাশাপাশি শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা বিশ্বনায়েকের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে ফোনে কথা হয়। তিনিও বিষয়টি বিবেচনা করে সমস্যা সমাধানের আর্জি জানান। এই পরিস্থিতিতে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে এবং স্পোর্টস ম্যান স্পিরিটের কথা মাথায় রেখে পাকিস্তান সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলার। বাবরদের আগাম শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।   

নকভি আগেই ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিলেন, "অতিথি ঘরে এলে তাঁদের অনুরোধ রাখতে হয়" বলে। অর্থাৎ 'অতিথি' আইসিসি'র 'অনুরোধ' মেনে তারা বিশ্বকাপ খেলতে রাজি। যদিও বাস্তবটা অন্য। সব দিক থেকে কোণঠাসা হয়েই বয়কট তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল পাকিস্তান। এবার মাঠের লড়াইয়ে সূর্যকুমাররা তাদের কেমন চাপে ফেলেন, সেটাই দেখার।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement