Advertisement

‘সমাজসেবার পুরস্কার’, বিজেপিতে বড় পদ পেলেন ‘চন্দনদস্যু’বীরাপ্পনের মেয়ে

01:46 PM Jul 19, 2020 |

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আশি-নব্বইয়ের দশকে দক্ষিণ ভারতের ত্রাস ছিল বাবা। সেই চন্দনদস্যু বীরাপ্পনের মেয়েকে বড় পদ দিল তামিলনাড়ু রাজ্য বিজেপি। মাস পাঁচেক আগেই গেরুয়া শিবিরে শামিল হয়েছিলেন বীরাপ্পনের বড় মেয়ে বিদ্যা রানি (Vidhya Rani)। এবার তাঁকেই তামিলনাড়ু বিজেপির যুব মোর্চার সহ-সভাপতি করে দেওয়া হল। দলের এত বড় পদ পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত ২৯ বছরের বিদ্যা। তিনি বলছেন,”আমার মূল উদ্দেশ্য সমাজসেবা। আমি কোনও ধর্মে বিশ্বাস করি না। মানবতায় বিশ্বাস করি।”

Advertisement

 

বিদ্যা বীরাপ্পন পেশায় আইনজীবী। সক্রিয় সমাজকর্মীও। তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) কৃষ্ণগিরি জেলায় ছোটদের জন্য একটি স্কুল চালান তিনি। এবছর ফেব্রুয়ারি মাসে বিজেপি সাধারণ সম্পাদক মুরলীধর রাও এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পন রাধাকৃষ্ণণের হাত ধরে পদ্মশিবিরে যোগ দেন বিদ্যা। তখনই তিনি ঘোষণা করেছিলেন, “আমজনতার জন্য কাজ করতে চাই। দরিদ্রদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন প্রকল্প আমাকে আকর্ষণ করেছে। তাই গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলাম।” তামিলনাড়ুর বিজেপি (BJP) নেতৃত্বের দাবি, বিদ্যা গত পাঁচমাস দলের সাংগঠনিক স্তরে তথা, সমাজের জন্য খুব ভাল কাজ করেছেন। তাই তাঁকে এই পদ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, তামিলনাড়ুতে বিজেপি একেবারেই শক্তিশালী নয়। সাংগঠনিক শক্তি নেই বললেই চলে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দলের এই দৈন্যদশার মধ্যে বীরাপ্পনের মেয়ের মতো পরিচিত নামকে প্রথম সারিতে এনে আসলে শিরোনামে থাকতে চাইছে গেরুয়া শিবির। উল্লেখ্য, আগামী বছরই দক্ষিণের রাজ্যটিতে নির্বাচন। 

[আরও পড়ুন: এবার আসরে অমিত শাহ! রাজস্থান কাণ্ডে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চাইল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক]

বিজেপির যুব সংগঠনের নেত্রী বিদ্যা কিন্তু এখনও নিজের বাবাকে সমাজবিরোধী বলতে নারাজ। তিনি বলছিলেন,”আমার মনে হয় বাবার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি তাঁকে ওই পথে নিয়ে যেতে বাধ্য করেছে। আমার সাথে ওর একবারই দেখা হয়েছিল। তখন আমার ৬-৭ বছর বয়স। আমার দাদুর বাড়ির কাছে একটা জঙ্গলে খেলা করছিলাম। তখন এসে কয়েক মিনিটের জন্য আমার সাথে কথা বলেছিল। আমাকে বলেছিল ভাল পড়াশোনা করে মানুষের সেবা করতে।” বিদ্যার দাবি, তিনি এখন মানুষের সেবা করতেই রাজনীতিতে নেমেছেন। উল্লেখ্য, বীরাপ্পনের (Veerappan) বিরুদ্ধে ১৫০ জনকে খুন এবং শতাধিক হাতি শিকারের অভিযোগ আছে। হাতির দাঁত এবং চন্দন কাঠ পাচারই ছিল তাঁর মূল পেশা। ২০০৪ সালে এসটিএফের অভিযানে নিহত হয় কুখ্যাত চন্দনদস্যু।

The post ‘সমাজসেবার পুরস্কার’, বিজেপিতে বড় পদ পেলেন ‘চন্দনদস্যু’ বীরাপ্পনের মেয়ে appeared first on Sangbad Pratidin.

Advertisement
Next