তামিলনাড়ুর ভোটরঙ্গ নতুন মোড় নিল। রাজ্যপাল আর ভি আরলেকরের অনড় মনোভাবে এখনও আটকে রয়েছে বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ। টিভিকে একক বৃহত্তম দল হয়েও সরকার গড়তে পারেনি। এদিকে পরিস্থিতি এমন, সরকার গড়তে জোট বাঁধতে চাইছে দুই 'চিরশত্রু' ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে। যদি তা হয়, তাহলে টিভিকে-র ১০৭ জন বিধায়কই ইস্তফা দেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজয়।
বস্তুত এবারের নির্বাচনে চমকপ্রদভাবে তামিনাড়ুতে একক বৃহত্তম দল হিসাবে উঠে এসেছে টিভিকে। কিন্তু তারা ‘জাদু সংখ্যা’ এখনও ছুঁতে পারেনি। টিভিকের প্রাপ্ত আসন সংখ্যা ১০৮। কিন্তু ২৩৪ আসন বিশিষ্ট তামিলনাড়ুর বিধানসভায় সরকার গড়তে গেলে দরকার ১১৮টি আসন। এই অবস্থায় বিজয়ের দলকে সমর্থন জানিয়েছে কংগ্রেস। সবমিলিয়ে বিজয়ের পক্ষে এখন রয়েছে ১১৩টি আসন। যেটিও পর্যাপ্ত নয়। এখনও দরকার ৫ বিধায়কের সমর্থন। সূত্রের খবর, সিপিআই, সিপিএম এবং ভিসিকে-র মতো দলগুলির সঙ্গে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু করে দিয়েছেন বিজয়। কিন্তু এখনও কোনও দলই সমর্থনের চিঠি দেননি বিজয়কে। ফলে জট কাটছে না।
বস্তুত এবারের নির্বাচনে চমকপ্রদভাবে তামিনাড়ুতে একক বৃহত্তম দল হিসাবে উঠে এসেছে টিভিকে। কিন্তু তারা ‘জাদু সংখ্যা’ এখনও ছুঁতে পারেনি। টিভিকের প্রাপ্ত আসন সংখ্যা ১০৮। কিন্তু ২৩৪ আসন বিশিষ্ট তামিলনাড়ুর বিধানসভায় সরকার গড়তে গেলে দরকার ১১৮টি আসন।
এর মধ্যেই এমকে স্ট্যালিনের ডিএমকে ও পালানিস্বামীর দল এআইএডিএমকে হাত মিলিয়ে সরকার গড়ার প্রস্তাব দেবে, এই গুঞ্জনও ছড়াচ্ছে। স্বাভাবিক ভাবেই এহেন পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ বিজয় জানিয়েছেন গণ ইস্তফার কথা। প্রসঙ্গত, বিজয়ের দলের আসনসংখ্যা ১০৮। কিন্তু এর মধ্যে একা বিজয়ই দু'টি আসনে জয়লাভ করেছেন। তাই আপাতত বিধায়ক সংখ্যা ১০৭।
সূত্রের দাবি, দ্রুত রাজ্যপাল বিজয়কে শপথবাক্য পাঠ না করালে টিভিকে আদালতের দ্বারস্থ হবে। তাঁদের অভিযোগ, রাজ্যপালের অবস্থান বেআইনি। এই পরিস্থিতিতে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে হাত শিবির। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। আরও আশ্চর্যের, রাজ্যপালের সমালোচনা করেছে ডিএমকে-ও। দলের এক নেতা বলছেন, “রাজ্যপাল যেটা করছেন সেটা সংবিধান বিরোধী। তামিল অস্মিতার বিরোধী।” কিন্তু ক্ষমতার গন্ধ তাদেরও ফের বিজয়ের বিপরীত দিকে ঠেলতে শুরু করেছে, পরিস্থিতি এমনই।
