সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডোকলাম ইস্যুতে ভারত-চিন সম্পর্ক এখন একদম তলানিতে। পড়শি দেশের কার্যকলাপে কেন্দ্র থেকে শুরু করে দেশের সাধারণ মানুষ তিতিবিরক্ত সকলেই। তাই জন্মাষ্টমীতে চিনা দ্রব্য বয়কটের ডাক দিয়েছে শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান বৃন্দাবনের পুরোহিত থেকে শুরু করে অফিসের কর্মচারীরা। শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান সেবা সংস্থানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আসন্ন জন্মাষ্টমীতে মন্দির চত্বর সাজানোর জন্য কোনও ধরনের চিনা দ্রব্য কিংবা আলো ব্যবহার করা হবে না।
[পরিচারিকা সেজে ঢুকে সর্বস্ব চুরি, ব্যবসায়ী-সহ গ্রেপ্তার ৩]
বহুদিন ধরেই ডোকলাম নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছে দুই পড়শি দেশ। বহু আলোচনা সত্ত্বেও কোন রফায় পৌঁছতে পারেনি ভারত ও চিন। উলটে তলে তলে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দুই বৃহত্তম শক্তি। এই পরিস্থিতিতেই দেশ জুড়ে চিন বিরোধী আন্দোলন জোরদার হয়েছে। কোথাও কোনও লিখিত নির্দেশিকা নেই, কিন্তু দেশবাসী প্রত্যাখ্যান করেছে চিনের জিনিস। রাখিবন্ধন চলাকালীন চিনা রাখির বাজার মারাত্মকভাবে পড়ে গিয়েছিল দেশে। এরপর জনপ্রিয় ই-ওয়ালেট সংস্থা পেটিএম বন্ধের ডাক দেয় আরএসএস-এ শাখা সংগঠন স্বদেশী জাগরণ মঞ্চ। এবার চিনা দ্রব্য বয়কটের ডাক দিল বৃন্দাবন মন্দির কর্তৃপক্ষও।
[গোরক্ষপুরে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, তদন্তের নির্দেশ যোগীর]
আগামী ১৪ আগস্ট দেশজুড়ে পালিত হবে জন্মাষ্টমী। তার আগে চিনা দ্রব্য বয়কট করা নিয়ে শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান সেবা সংস্থানের সচিব কপিল শর্মা বলেন, ‘সন্ত এবং মহন্তরা ছাড়াও সাধারণ মানুষও জন্মাষ্টমীর দিন চিনা দ্রব্য বয়কট আন্দোলনে যোগদান করছেন।’ আলো-সহ অন্যান্য চিনা দ্রব্য ছাড়াই পালিত হবে জন্মাষ্টমী। এমনটাই জানান তিনি। এমনকী কেন্দ্রের কাছে চিনের জিনিসপত্রের উপর নিষেধাজ্ঞা চাপানোর আরজি জানিয়েছেন তাঁরা।
[রাতের অন্ধকারে দুই বোনের গায়ে আগুন ধরিয়ে দিল দুষ্কৃতীরা]
এদিকে, ডোকলামে চরম সতর্কতা জারি করল ভারত। পাঠানো হয়েছে আরও সেনা। এমনটাই জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই ও রয়টার্স। অরুণাচল ও সিকিমে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কিমি দীর্ঘ চিন সীমান্ত জুড়ে ভারতীয় সেনাকে যেকোনও মুহূর্তে যুদ্ধের জন্য তৈরি থাকতে বলা হয়েছে। পিটিআই সূত্রে খবর, লালফৌজের যুদ্ধের হুঙ্কার ও আগ্রাসনকে নজরে রেখেই তৈরি থাকছে ভারত।
[সেনার ফাঁদে কাশ্মীরের আল কায়দা প্রধান জাকির মুসা]
The post ডোকলাম বিবাদের জেরে জন্মাষ্টমীতে চিনা দ্রব্য বয়কটের ডাক বৃন্দাবনে appeared first on Sangbad Pratidin.
