এসআইআর (SIR) ইস্যুতে ফের সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানছে না কমিশন। জুডিশিয়াল অফিসারদের নির্দেশ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। সেই বিষয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য। বাংলার তরফে এদিন আইনজীবী কপিল সিব্বল সওয়াল করেন। তবে এই আবেদন নিয়ে বক্তব্য রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। কমিশনের উপর আস্থা, ভরসা রাখতে আবেদন জানিয়েছেন বিচারপতি।
এসআইআর নিয়ে রাজ্যে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন কমিশন (Election Commission) পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভি্যোগ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শুধু তাই নয়, রাজ্যের মানুষদের ভোটাধিকার রক্ষার জন্য সুপ্রিম দরবারে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী নিজে সুপ্রিম কোর্টে দাঁড়িয়ে সওয়ালও করেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর যুক্তি, বক্তব্যকে গুরুত্ব দিইয়ে একাধিক নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।
যদিও সেই নির্দেশ নির্বাচন কমিশন অমান্য করছে। সেই অভিযোগও উঠেছে। জুডিশিয়াল অফিসারদের নির্দেশ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। অফিসারকে প্রশিক্ষণ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ফের আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য। এদিন রাজ্যের তরফে কপিল সিব্বল আদালতে সওয়াল করেন। জানানো হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানছে না নির্বাচন কমিশন। জুডিশিয়াল অফিসারদের নির্দেশ দিচ্ছে কমিশন। প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে এক গুচ্ছ অভিযোগও এদিন রাখা হয়েছে। হাই কোর্টকে না জানিয়ে জুডিশিয়াল অফিসারদের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন। তাঁদের প্রশিক্ষণ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রহণ করবে না, সেই কথা জানিয়েছে। কেন এই সার্টিফিকেট গ্রহণ করা হবে না? এদিন সেই প্রশ্ন আদালতে তোলা হয়েছে।
সেক্ষেত্রে আদালতের তরফ থেকে আস্থা, ভরসা রাখতে বলা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন অফিসারদের প্রশিক্ষণ না দিলে কারা দেবে? সেই প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্ট করেছে। এরপরই জুডিশিয়াল অফিসারদের সন্দেহ করতে নিষেধ করা হয়। শুধু তাই নয়, একই ইস্যু নিয়ে একাধিকবার আদালতে আবেদন জানানো নিয়েও কিঞ্চিত উষ্মাপ্রকাশ করা হয়েছে। এই বিষয়টির এবার শেষ হওয়া উচিত। তেমনই পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের।
