সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জ্যোতি কাণ্ডে তদন্ত যত গভীরে যাচ্ছে, ততই বাড়ছে রহস্য। দানিশ ছাড়াও ইউটিউবারের সঙ্গে যোগ ছিল আরও তিন আইএসআই এজেন্টের! ‘পাক চর’ জ্যোতি মালহোত্রার ল্যাপটপ পরীক্ষা করে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য তদন্তকারীদের হাতে এসেছে।
সূত্রের খবর, দানিশ সঙ্গে পরিচয় হওয়ার আগে থেকেই আহসান এবং শাহিদ নামে দুই আইএসআই এজেন্টের সঙ্গে জ্যোতির যোগাযোগ ছিল। তবে পাক গুপ্তচর সংস্থার হয়ে দুই যুবক ঠিক কী কী কাজ করতেন, তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। আগেই পুলিশ জ্যোতির ফোন, ল্যাপটপ-সহ বিভিন্ন ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করেছিল। তবে ডিভাইসগুলি থেকে বেশ কিছু তথ্য মুছে ফেলা হলেও, পুলিশ ১২ টেরাবাইটের সুবিশাল তথ্যভাণ্ডার উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। সেগুলি পরীক্ষা করেই একের পর এক নতুন তথ্য হাতে আসছে তদন্তকারীদের। সূত্র মারফত আরও জানা গিয়েছে, আহসান এবং শাহিদ যে আইএসআইয়ের হয়ে কাজ করতেন, তা জ্যোতি খুব ভালো করেই জানতেন। তাঁদের মাধ্যমে ইউটিউবার ভারতের কী কী তথ্য পাকিস্তানে পাচার করেছেন এখন সেটাই খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।
পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন জ্যোতি। বর্তমানে তিনি হরিয়ানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। ২০২৩ সালে, ভারতে পাক দূতাবাস কর্মী এহসান উর রহিম ওরফে দানিশের সঙ্গে জো-র (এই নামেই নিজেরকে পরিচয় দেন জ্যোতি) আলাপ। ক্রমে ঘনিষ্ঠতা। এই দানিশকে ইতিমধ্যেই পাক দূতাবাসে থেকে বের করে দিয়েছে নয়াদিল্লি। তাকে ‘পার্সোনা নন গ্রাটা’ অর্থাৎ অবাঞ্ছিত ব্যক্তি বলে বিতাড়িত করেছে ভারত সরকার।
দানিশ সম্পর্কে তদন্ত করতে গিয়েই প্রথমে জ্যোতির নাম পান তদন্তকারীরা। এই দানিশেরই ‘বিশেষ আমন্ত্রণে’ গত বছর পাক দূতাবাসে ইফতার পার্টিতে যায় জ্যোতি। এবং পুরো বিষয়টির ভিডিও করে সে। সেই ভিডিওটি দেখেই সন্দেহ হয় গোয়েন্দাদের। এছাড়াও সম্প্রতি সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার হরিয়ানার জ্যোতি-সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁদের পাক যোগের একাধিক তথ্য তদন্তকারীদের হাতে এসেছে।
