প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্পর্কে অশ্লীল মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। দায়ের হয় জিরো এফআইআর। সেই মন্তব্যের জন্য পরে ক্ষমা চান নাবালিকা। প্রধানমন্ত্রীও তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে মোদির ভূয়সী প্রশংসা করলেন নাবালিকার মা। বললেন, “আপনি ওকে নতুন জীবন দিয়েছেন।”
সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে যুবতী জানান, প্রতিশোধের পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রী ক্ষমা বেছে নিয়েছেন। এর জন্য করজোড়ে তিনি মোদির কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন। গোটা বিষয়টি তিনি ‘দ্বিতীয় সুযোগ’ হিসাবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “অত্যন্ত কুরুচিকর ও অশ্লীল শব্দ ব্যবহারের পরও শিশুটিকে ক্ষমা করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন। আজ মেয়ের জন্মদিন, আর প্রধানমন্ত্রী তাকে সর্বশ্রেষ্ঠ উপহার দিয়েছেন - জীবনদান। মেয়ে আজ যেন নতুন জীবন পেল।” নাবালিকার মা বলেন, ", "প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, অনুগ্রহ করে ২০ বছরের কম বয়সিদের জন্য ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক বন্ধ করে দিন। তাদের কেবল পড়াশোনার সুযোগ দেওয়া উচিত প্রতিবাদ-বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। এরা আসলে শিশুদের সুযোগ নিতে চায় এবং তাদের দিয়ে যা খুশি তাই বলাতে চায়।"
উল্লেখ্য, ক্ষমা প্রার্থনা করে সম্প্রতি ওই নাবালিকা একটি ভিডিও পোস্ট করে (যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।)। সেখানে তাকে হাতজোড় করে বলতে শোনা গিয়েছে, ”আমি ওদের দ্বারা (আন্দোলনকারী) প্রভাবিত হয়ে পড়েছিলাম। আমার বয়স মাত্র ১৫ বছর। আমি যা করেছি তা ক্ষমার যোগ্যই নয়। অনেক খারাপ কথা বলে ফেলেছি।” এটাই তাঁর জীবনের প্রথম ও শেষ ভুল বলে উল্লেখ করে তরুণী বলেন, "আমি গোটা দেশের কাছে ক্ষমা চাইছি। আমি লজ্জিত। নিজের দিকে তাকাতে পারছি না। দয়া করে আমাকে ক্ষমা করুন।”
