shono
Advertisement
Bombay High Court

দাম্পত্যকলহে স্বামী আত্মহত্যা করলে স্ত্রী খুনি? বড় পর্যবেক্ষণ উচ্চ ন্যায়ালয়ের

ছেলের মৃত্যুশোকে মুহ্যমান বাবা তাঁর পুত্রবধূর বিরুদ্ধে তুচ্ছ বিষয়ে ঘন ঘন ঝগড়া এবং মৌখিক নির্যাতনের একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
Published By: Kishore GhoshPosted: 03:41 PM Apr 01, 2026Updated: 05:47 PM Apr 01, 2026

দাম্পত্যকলহের জেরে আত্মহত্যা করেছেন স্বামী। এর জন্যে সরসারি স্ত্রীকে দায়ী করা যায় না। পর্যবেক্ষণ বম্বে হাই কোর্টের। সংশ্লিষ্ট মামলায় আদলতের নাগপুর বেঞ্চের বক্তব্য, যদি কোনও পুরুষ পারিবারিক কলহ বা দাম্পত্য মতবিরোধের কারণে আত্মহত্যা করে থাকেন, তবে আইন অনুযায়ী তার স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না।

Advertisement

ঘটনার সূত্রপাত ২০১৯ সালের ২৬ নভেম্বর। ওই দিন মহারাষ্ট্রের অমরাবতী জেলায় চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন এক ব্যক্তি। ছেলের মৃত্যুশোকে মুহ্যমান বাবা তাঁর পুত্রবধূর বিরুদ্ধে তুচ্ছ বিষয়ে ঘন ঘন ঝগড়া এবং মৌখিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। দাবি করেন, পুত্রবধূ তাঁর ছেলেকে না জানিয়ে বারবার বাপের বাড়িতে চলে যেত, স্বামীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিত। এই হয়রানির কারণেই হতাশ হয়ে আত্মহত্যা করেছে ছেলে। বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ নিহতের স্ত্রীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা দায়ের করে।

তাঁর বিরুদ্ধে হওয়া মামলা খারিজ করার দাবি জানিয়ে বম্বে হাই কোর্টের (Bombay High Court) দ্বারস্থ হন মহিলা। মামলার শুনানিতে ওই মহিলার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে হাই কোর্ট জানায়, আত্মহত্যায় প্ররোচনার বিষয়টি কেবল তখনই প্রযোজ্য, যখন কাউকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার সুস্পষ্ট উদ্দেশ্য থাকে। বম্বে হাই কোর্টের নাগপুর বেঞ্চের বক্তব্য, শুধুমাত্র দাম্পত্যকলহ, মৌখিক নির্যাতন, বা বাপের বাড়িতে চলে যাওয়ার ঘটনাকে 'আত্মহত্যায় প্ররোচনা' বলা যায় না। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২০২৩-এর ১০৮ ধারার অধীন অপরাধ তখনই প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন কেউ স্পষ্টভাবে কোনও ব্যক্তিকে আত্মহত্যায় বাধ্য করে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement