প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। দায়ের হয়েছে জিরো এফআইআর। সেই মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন তিনি। একটি ভিডিওয় অভিযুক্ত তরুণী জানিয়েছেন, গোটা দেশের কাছে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী। যদিও ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।
ভিডিওয় তাঁকে হাতজোড় করে বলতে শোনা গিয়েছে, ''আমি ওদের দ্বারা (আন্দোলনকারী) প্রভাবিত হয়ে পড়েছিলাম। আমার বয়স মাত্র ১৫ বছর। আমি যা করেছি তা ক্ষমার যোগ্যই নয়। অনেক খারাপ কথা বলে ফেলেছি।'' এটাই তাঁর জীবনের প্রথম ও শেষ ভুল বলে উল্লেখ করে তরুণী জানাচ্ছেন, ''আমি গোটা দেশের কাছে ক্ষমা চাইছি। আমি লজ্জিত। নিজের দিকে তাকাতে পারছি না। দয়া করে আমাকে ক্ষমা করুন।'' উল্লেখ্য, নিজেকে পনেরোর কিশোরী বলে উল্লেখ করলেও তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআরে তাঁর বয়স ২৫ বছর বলে দাবি করা হয়েছে। এক সংবাদমাধ্যম সূত্রে এটাই জানা যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার রাতে ছাত্র ও যুব সমাজের প্রতি ভিডিও বার্তায় মোদির মুখেও উঠে আসে তাঁর উদ্দেশে করা কটূক্তির প্রসঙ্গ। তাঁর বার্তা, ‘‘ওরা আমাকে তো বটেই, আমার পরলোকগত মাকেও অনেক অপমান করেছে। কিন্তু আমি ওদের ক্ষমা করে দিলাম। অপমান বা কটাক্ষ কোনও সমাধান নয়। আসুন, সকলে একসঙ্গে কাজ করি, ভারতের জন্য।” আন্দোলনের নামে ছাত্র ও যুব সমাজের এই অরাজকতা যে স্রেফ ভুল বোঝার প্রতিফলন, তা মনে করিয়েছেন। মোদির কথায়, ‘‘কারও কারও ভুল গাইডেন্সের কারণে পড়ুয়ারা ভুল পথে পরিচালিত হয়েছে। কিন্তু সেই ভুল শুধরে নেওয়ার সুযোগ জীবন দিয়েছে। ছোটবেলা থেকেই জীবন আমাদের বারবার শোধরানোর সুযোগ দিয়েছে। আর যৌবনকাল এমন একটা সময়, যখন আর ছোটবেলার ভুলগুলো করা যায় না।” পাশাপাশি মোদি বলেন, ‘‘ওরা আমার পরলোকগত মায়ের প্রসঙ্গ টেনেও অপমান করেছে। কিন্তু আমি ক্ষমা করে দিতে চাই। সমাজের কাছেও আমার বিনীত অনুরোধ, আমার কথা শুনে ওদের ক্ষমা করে দিন। আসুন, একসঙ্গে উন্নত ভারত গড়ার লক্ষ্যে আমরা কাজ করি।”
