সোমবার থেকে নতুন করে চর্চায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) দুটি বাড়ি। একটি হরিশ মুখার্জী রোডের শান্তিনিকেতন, অন্যটি কালীঘাট রোডের। কারণ, পুরসভার নোটিস। অবশেষে এনিয়ে মুখ খুললেন অভিষেক। মঙ্গলবার বিকেলে বিধায়কদের বৈঠকে তিনি বলেন, "আমার বাড়ি ভেঙে দিক, নোটিস পাঠাক। আমি এসবের কাছে মাথা নত করব না।" শুভেন্দু অধিকারীর মতো মানসিকতার মুখ্যমন্ত্রী বাংলা আগে দেখেনি বলেও মন্তব্য করলেন তিনি।
হরিশ মুখার্জী রোডে দাঁড়িয়ে পেল্লায় বাড়ি, শান্তিনিকেতন। রাজ্যের প্রায় সকলেই সেই প্রাসাদের সঙ্গে পরিচিত। ওই বাড়িতে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে থাকেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়। এছাড়াও একাধিক সম্পত্তি রয়েছে তাঁর। ১২১ কালীঘাট রোডে রয়েছে বাড়ি। যদিও সেটা অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে। যদিও কালীঘাট রোডের ওই বাড়ি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সম্পত্তি দেখানো হয়েছে। পুরসভার নজরে এবার অভিষেকের মোট ১৭ টি সম্পত্তি। তবে ভবানীপুর বিধানসভার ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের ১২১, কালীঘাট রোড এবং ১৮৮এ হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়িতে পুরসভার তরফে পাঠানো হয়েছে নোটিস। বলা হয়েছে, ওই দুই ঠিকানায় যে নির্মাণ রয়েছে তাতে প্ল্যান-বহির্ভূত কিছু অংশ রয়েছে। ৭ দিনের মধ্যে সেই অংশ ভেঙে ফেলতে হবে। যদি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের উদ্যোগে তা না করেন, সেক্ষেত্রে পুরসভা ভেঙে দেবে। অর্থাৎ অভিষেকের বাড়িতে চলবে বুলডোজার।
মঙ্গলবার বিকেলে কালীঘাটে বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সেখানেই বাড়ির একাংশ ভেঙে দেওয়ার নোটিস নিয়ে মুখ খোলেন অভিষেক। বলেন, "ওরা যা খুশি করুক। আমার বাড়ি ভেঙে দিক, নোটিস পাঠাক। আমি এসবের কাছে মাথা নত করব না। যা-ই হোক না কেন, বিজেপির বিরুদ্ধে আমার লড়াই চলবেই।" এখানেই শেষ নয়, মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, "আমাদের রাজ্যে অনেক মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু বর্তমান জনের মতো কেউ নন। যাকে ক্যামেরার সামনে টাকা নিতে দেখা গিয়েছে, তাকেই মুখ্যমন্ত্রী বানানো হয়েছে!"
