বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসাবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের (Sovandeb Chattopadhyay) নাম বাছাইয়ের প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেটারহেডে বিরোধী দলনেতার নাম লিখে বিধানসভায় পাঠানো হয়। তা মানতে নারাজ বিধানসভার সচিবালয়। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই চিঠিতে কাজ হবে না। ইতিমধ্যে বিধানসভার সচিবালয়ের তরফে তা অভিষেককে জানানো হয়েছে।
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেটারহেডে বিরোধী দলনেতার নাম লিখে বিধানসভায় পাঠানো হয়। বিধানসভা সচিবালয় সূত্রে খবর, কোনও দল কিংবা দলের সাধারণ সম্পাদকের লেটারহেডে লিখে এভাবে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার নাম জানানো নিয়ম বহির্ভূত। নিয়ম অনুযায়ী, তৃণমূলের জয়ী ৮০ জন বিধায়ক বিরোধী দলনেতা বাছাই করবেন। তা কোনও দল ঠিক করতে পারে না।
বিধানসভা সচিবালয় সূত্রে খবর, কোনও দল কিংবা দলের সাধারণ সম্পাদকের লেটারহেডে লিখে এভাবে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার নাম জানানো নিয়ম বহির্ভূত। নিয়ম অনুযায়ী, তৃণমূলের জয়ী ৮০ জন বিধায়ক বিরোধী দলনেতা বাছাই করবেন। তা কোনও দল ঠিক করতে পারে না। বিধানসভার সচিবালয় থেকে এই মর্মে একটি চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই চিঠিতেই সাফ জানানো হবে, নিয়মবিরুদ্ধ উপায়ে বাছাই করা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে মোটেও বিরোধী দলনেতা হিসাবে মানা সম্ভব নয়।
এদিকে, এই জটিলতার মাঝে সোমবার শোভনদেব বিধানসভার রুল বুক খতিয়ে দেখেন। এই নিয়মের কথা লেখা নেই বলেই জানিয়েছেন তিনি। নিয়ম জানতে চেয়ে আরটিআইয়ের চিঠিও জমা দেন। টানাপোড়েনের মাঝে এদিন বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ঘর খোলা হয়নি। তা তালাবন্ধই ছিল। শুধুমাত্র একটি ঘর বিরোধী দলের বিধায়কদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। সেই ঘরে গিয়েই বসেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও ছিলেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ এবং চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় নেতৃত্বকে এই বিষয়টি জানিয়েছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।
