shono
Advertisement
Damayanti Sen

পার্ক স্ট্রিট কাণ্ডের 'সুপার কপ' দময়ন্তীকে ফেরালেন শুভেন্দু, এবার তদন্ত হবে সন্দেশখালি থেকে কসবা

২০১২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি। রাতের পার্ক স্ট্রিটে নাইটক্লাব থেকে বেরিয়ে চলন্ত গাড়িতে গণধর্ষণের শিকার হন সুজেট জর্ডন। সেই মামলার তদন্ত করেন দময়ন্তী সেন। দুঁদে আধিকারিক হওয়া সত্ত্বেও তারপর থেকে আর সেভাবে কোনও বড়সড় মামলার তদন্তভার পাননি তিনি।
Published By: Sayani SenPosted: 03:47 PM May 18, 2026Updated: 04:36 PM May 18, 2026

২০১২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি। রাতের পার্ক স্ট্রিটে নাইটক্লাব থেকে বেরিয়ে চলন্ত গাড়িতে গণধর্ষণের শিকার হন সুজেট জর্ডন। সেই মামলার তদন্ত করেন দময়ন্তী সেন (Damayanti Sen)। দুঁদে আধিকারিক হওয়া সত্ত্বেও তারপর থেকে আর সেভাবে কোনও বড়সড় মামলার তদন্তভার পাননি তিনি। মমতা সরকারের আমলে খানিকটা 'কোণঠাসা'ই ছিলেন। সেই দময়ন্তী সেনকেই ফেরালেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের নারী নির্যাতনের তদন্তে মুখ্যমন্ত্রীর গঠিত নয়া কমিটিতে দুঁদে আধিকারিক।

Advertisement

১৯৯৬ ব্যাচের আইপিএস দময়ন্তী সেন। তিনিই মহিলা হিসাবে প্রথম কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি ক্রাইম হিসাবে কাজ করেন। পরবর্তীতে কলকাতা পুলিশের স্পেশাল কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পান। মাঝে পার্ক স্ট্রিট গণধর্ষণ কাণ্ডের তদন্ত করেন।

সোমবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। এদিন তিনি জানান, পূর্বতন তৃণমূল সরকারের আমলে সন্দেশখালি থেকে কসবা কিংবা বগটুইতে একাধিক মহিলা ও শিশুর হেনস্তা হয়েছে। সেই ঘটনাগুলির তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কলকাতা হাই কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ওই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত করবেন আইপিএস দময়ন্তী সেন। আগামী পয়লা জুন থেকে এই কমিটি কাজ শুরু করবে। তার আগে নানা তথ্য সংগ্রহ কাজ করবেন আধিকারিক।

বরাবরই মেধাবী পড়ুয়া দময়ন্তী। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর। স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট তিনি। ১৯৯৬ ব্যাচের আইপিএস দময়ন্তী সেন। তিনিই মহিলা হিসাবে প্রথম কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি ক্রাইম হিসাবে কাজ করেন। পরবর্তীতে কলকাতা পুলিশের স্পেশাল কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পান। মাঝে পার্ক স্ট্রিট গণধর্ষণ কাণ্ডের তদন্ত করেন। তাঁর দক্ষতায় খুব কম সময়ের মধ্যে তদন্তের কিনারা হয়। তবে তারপর 'কোণঠাসা' হয়ে যান। গত ২০২২ সালে কলকাতা হাই কোর্ট রাজ্যে চারটি ধর্ষণ মামলার তদন্তে কমিটি গঠন করে। তাতে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয় দময়ন্তীকে। রসিকা জৈন মৃত্যুরহস্যের তদন্তভারও দেওয়া হয়েছিল দুঁদে আধিকারিককে। ২০২৩ সালে তাঁকে কলকাতা পুলিশ থেকে রাজ্য পুলিশে বদলি করে দেওয়া হয়। এডিজি (প্রশিক্ষণ) পদে পাঠানো হয়। বর্তমানে রাজ্য পুলিশের এডিজি আইজিপি পদমর্যাদায় কর্মরত। এবার সেই দময়ন্তীই খুলবে রাজ্যে ঘটে যাওয়া নারী নির্যাতন সংক্রান্ত মামলার জট।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement