shono
Advertisement
Amit Shah

বঙ্গজয়ের উপহার! 'মিষ্টি দইয়ে মিষ্টিমুখ করালাম', আমুল প্ল্যান্ট উদ্বোধনে বললেন শাহ

রবিবার হাওড়ার সাঁকরাইলে বিশ্বের সর্ববৃহৎ দই উৎপাদন সংস্থা হিসেবে আমুল কারখানার ভারচুয়াল সূচনা হল।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 05:46 PM Jul 19, 2026Updated: 06:13 PM Jul 19, 2026

বহুদিনের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। ছাব্বিশে বঙ্গজয় করেছে বিজেপি। আর এই স্বপ্নকে ছোঁয়ার পর এবার বঙ্গবাসীর অধরা ইচ্ছাগুলো পূরণ করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে রাজ্যের বিজেপি সরকার। শিল্পক্ষেত্রে জোয়ার আনতে উদ্যোগী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার তার অংশ হিসেবে আমুল প্ল্যান্টের ভারচুয়াল সূচনা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। হাওড়ার সাঁকরাইলের এই কারখানাটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় দই কারখানা হতে চলেছে। ৬৫০ কোটি টাকার এই প্রকল্প ঘিরে হবে প্রচুর কর্মসংস্থান। আর এটাই বঙ্গজয়ে বঙ্গবাসীকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপহার - মিষ্টি দই দিয়ে মিষ্টিমুখ করানো। এদিন কারখানার শিলান্যাস করে এমনই জানালেন অমিত শাহ।

Advertisement

আমুল কারখানার ভারচুয়াল শিলান্যাস অমিত শাহর, ছবি: অমিত মৌলিক

অমিত শাহ অবশ্য আমুল কারখানার এই বৃহৎ প্রকল্পকে দেখছেন একটু অন্যভাবে। তাঁর কথায়, ‘‘বঙ্গজয়ের পর এটা সবচেয়ে বড় শিল্প প্রকল্প। বঙ্গবাসীকে মিষ্টি দই খাওয়ালাম। এটাই মোদিজির উপহার। এখানকার মিষ্টি দই খেয়ে গোটা দেশের মানুষ আমাদের দু'হাত তুলে আশীর্বাদ করবেন।''

রাজ্যে বিজেপি সরকারের আমলে দ্বিতীয় দফায় 'আমুল বিপ্লব' শুরু হল। ৬৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সাঁকরাইলে যে আমুল প্ল্যান্টটি তৈরি হবে, সেখানে দুগ্ধজাত সমস্ত পণ্য মিলবে। এখান থেকেই গোটা দেশে দই সরবরাহ করা হবে। বেশি চাহিদা মিষ্টি দইয়ের। তাই উৎপাদনের ক্ষেত্রে মিষ্টি দইতে বাড়তি নজর থাকবে। এই গোটা বিষয়টিকে 'সাদা বিপ্লব' বলে অভিহিত করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এর জন্য তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহকে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গে আরও একটি আমুল কারখানা তৈরি হবে বলে ঘোষণা তাঁর। আর সংস্থার কাছে আবেদন, এবার এরাজ্যে আইসক্রিম কারখানা হোক।

আমুল কারখানার ভারচুয়াল শিলান্যাস মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর, ছবি: অমিত মৌলিক

এদিন বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে আমুল কারখানার শিলান্যাস অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও ছিলেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়, সমবায় মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া, অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সমবায়কে শক্তিশালী না করলে আর্থিক কাঠামো পোক্ত হয় না। তাই আমুল কারখানার সঙ্গে জড়িয়ে নিতে হবে স্থানীয় গোয়ালাদের। তিনি জানান, এলাকার অন্তত ৩৬ লক্ষ গোয়ালার আর্থিক সংস্থান হবে এখান থেকে। সেইসঙ্গ বিগত সরকারের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর কটাক্ষ, বাড়িতে বসে এই শিল্পবিপ্লব দেখছেন!

নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠান, ছবি: অমিত শাহ

অমিত শাহ অবশ্য আমুল কারখানার এই বৃহৎ প্রকল্পকে দেখছেন একটু অন্যভাবে। তাঁর কথায়, ‘‘বঙ্গজয়ের পর এটা সবচেয়ে বড় শিল্প প্রকল্প। বঙ্গবাসীকে মিষ্টি দই খাওয়ালাম। এটাই মোদিজির উপহার। এখানকার মিষ্টি দই খেয়ে গোটা দেশের মানুষ আমাদের দু'হাত তুলে আশীর্বাদ করবেন।'' এই মঞ্চ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে বিঁধতেও ছাড়েননি অমিত শাহ। তাঁর অভিযোগ, বাংলায় যে শিল্প-সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা ছিল, তাকে পুরোপুরি মুছে ফেলেছে বিগত সরকার। কিন্তু বিজেপি বরাবর বাংলার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই বিগত জমানায় যা যা হয়নি, তার সবটাই এবার হবে বলে আশ্বাস অমিত শাহর।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement