মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর হিসাবে পরিচিত ভবানীপুরের অসীম বসু। তৃণমূল সুপ্রিমোর ছায়াসঙ্গী বললেও অত্যুক্তি হয় না। পালাবদলের বাংলায় সেই কাউন্সিলরের তদারকিতেই জোরকদমে চলছে অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) ফর্মপূরণ। সোমবার ভবানীপুরের ৭০ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলরের অফিসে হয় ফর্ম ফিলআপের কাজ। ব্যাপক সাড়াও মেলে। এদিন ওই শিবিরে গিয়ে ফর্ম জমা দেন বহু মহিলা।
ভবানীপুরের ৭০ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলরের অফিসে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মপূরণ। ছবি: শুভজিৎ মুখোপাধ্যায়
তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু বলেন, "ফর্ম পৌরসভার মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বৃহত্তর পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমার দায়িত্ব। আমার মনে হয়েছে মানুষের জন্য সরকার যে কাজটি করছে। সেটি সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া দায়িত্ব।"
পূর্বতন তৃণমূল সরকারের আমলে চালু হয় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। এই প্রকল্পে রাজ্যের প্রায় প্রত্যেক মহিলা মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা ভাতা পেতেন। তফশিলি জাতি, উপজাতির মহিলারা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পেতেন ১ হাজার ৭০০ টাকা। বিজেপি সংকল্পপত্রে উল্লেখ করেছিল, ভোটে জিতলে প্রত্যেক মহিলাকে ৩ হাজার টাকা করে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে। সেইমতো ক্ষমতায় আসার পর থেকে অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) টাকা মহিলাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর তোড়জোড় শুরু করেছে শুভেন্দু প্রশাসন। গত শুক্রবার থেকে অফলাইনে ফর্মপূরণের কাজ শুরু হয়। সোমবার থেকে অনলাইনে করা যাচ্ছে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ডাউনলোড। ইতিমধ্যে বহু মহিলা ফর্ম ফিলআপের কাজ করেছেন।
ভবানীপুরের ৭০ নম্বর ওয়ার্ডেও হয় অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মপূরণের কাজ। তদারকিতে থাকা তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু বলেন, "ফর্ম পৌরসভার মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বৃহত্তর পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমার দায়িত্ব। আমার মনে হয়েছে মানুষের জন্য সরকার যে কাজটি করছে। সেটি সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া দায়িত্ব।" একজন তৃণমূল কাউন্সিলর হয়ে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মপূরণ করানোর উদ্যোগ নিয়ে স্বাভাবিকভাবে নানা মহলে প্রশ্ন উঠছে। যদিও তৃণমূল কাউন্সিলর এসব নিয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ। তাঁর কথায়, "জনসাধারণের হয়ে কাজ করতে গিয়ে কে কী বলল তাতে কিছু যায় আসে না।"
