shono
Advertisement
Arabul Islam

ঋত শিবিরে আরাবুল! আইএসএফ ছেড়েই 'আসল' তৃণমূলে ভিড়লেন ভাঙড়ের 'তাজা' নেতা

গত কয়েকদিন আগেই সমাজমাধ্যমে তোপ দেগে আইএসএফ ছাড়ার ঘোষণা করেন আরাবুল।
Published By: Kousik SinhaPosted: 04:25 PM Aug 24, 2026Updated: 04:56 PM Aug 24, 2026

আইএসএফ ছাড়তেই গত কয়েকদিনে একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছেন আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam)। এমনকী আজ, সোমবারও ভাঙড়ে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ। এরপরেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'আসল' তৃণমূলে আরাবুল ইসলাম! এদিন হঠাৎ করেই বিধানসভায় পৌঁছান তিনি। প্রায় একঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বিরোধী দলনেতার সঙ্গে বৈঠক করেন ভাঙড়ের এই 'তাজা' নেতা। এরপরেই জল্পনা ছড়িয়েছে তাহলে কি এবার 'আসল' তৃণমূলে সরাসরি যোগ দেবেন আরাবুল? হামলা থেকে বাঁচতেই ঋত শরণে তিনি? 

Advertisement

গত কয়েকদিন আগেই সমাজমাধ্যমে তোপ দেগে আইএসএফ ছাড়ার ঘোষণা করেন আরাবুল। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, ''আইএসএফের স্বৈরাচারী এবং একনায়কতন্ত্রকে আমি ধিক্কার জানাই।'' 

একসময়ে ভাঙড় দাপিয়ে বেড়ানো ‘তাজা নেতা’ কলেজ শিক্ষিকার মাথায় জগ ছুড়ে মারার মতো গুরুতর কাজের জন্য দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। যদিও পরে সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নেয় তৃণমূল। স্বমহিমায় দলে ফিরে ফের ভাঙড়ের বুকে শুরু হয় তাঁর দাপট! শুধু তাই নয়, ভাঙড় ও সংলগ্ন এলাকায় কার্যত আরাবুলেরই ‘শাসন’ চলত বারবার অভিযোগ ওঠে। যদিও পরবর্তী সময় রাজনীতিতে তাঁর কাঁটা হয়ে দাঁড়ান শওকত মোল্লা। একাধিক ইস্যুতে তাঁর সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়ান আরাবুল। এহেন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে বড় বদলের সাক্ষী থাকেন ভাঙড়ের মানুষ। তৃণমূল ছেড়ে যোগ দেন নওসাদ সিদ্দিকীর দল আইএসএফে। প্রার্থীও হয়েছিলেন। কিন্তু জয় আসেনি। এহেন পরিস্থিতিতে ক্রমশ আইএসএফে কোনঠাসা হয়ে পড়েন আরাবুল। মাত্র পাঁচমাসেই মোহভঙ্গ হয় তাঁর। 

এহেন পরিস্থিতিতে গত কয়েকদিন আগেই সমাজমাধ্যমে তোপ দেগে আইএসএফ ছাড়ার ঘোষণা করেন আরাবুল। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, “আইএসএফের স্বৈরাচারী এবং একনায়কতন্ত্রকে আমি ধিক্কার জানাই। আইএসএফের লুম্পেন বাহিনীর হাতে ভাঙড় জুড়ে যেভাবে মানুষের উপরে অত্যাচার-অনাচার নেমে এসেছে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে এই দল থেকে আমি পদত্যাগ করলাম।” তার রেশ কাটতে না কাটতেই গত শনিবার তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটে। ছোড়া হয় ইট। এমনকী বোমা নিক্ষেপ করা হয় বলেও অভিযোগ। কোনও রকমে প্রাণ বাঁচিয়ে এলাকা ছাড়েন আরাবুল। এরপরেও তাঁকে লক্ষ্য করে হামলা হয় বলে অভিযোগ। একের পর এক ঘটনায় আইএসএফ যুক্ত বলে দাবি করেন একসময়ের ভাঙড়ের ত্রাস। এরপরেই এদিন বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠক যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement