একটি নয়। দুটি দপ্তরের মন্ত্রী তিনি। আর দায়িত্ব নিয়েই বুধবার দুই দপ্তরে গেলেন পরিবহন ও শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং (Arjun Singh)। আধিকারিকদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময়ের পাশাপাশি দপ্তরের কর্তাদের নিয়ে করলেন বৈঠকও। পরিবহণ দপ্তরে এসে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে প্রথমেই জিজ্ঞেস করলেন, রাস্তায় সরকারি বাস দেখা যায় না কেন! কতগুলো বাস চলে? মানুষ কেন বাস পায় না! ট্রাম চলে কি না। দপ্তরের এমনই হাজারো বিষয় জানতে চাইলেন। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে আধিকারিকদের বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরির নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
পরে সাংবাদিকদের উত্তরে অর্জুন সিং বলেন, "প্রায়োরিটি হবে বাসের সংখ্যা। অনেকেই বলেছেন বাসের সংখ্যা কম, বাস পাওয়া যায় না। ইলেকট্রিক বাসের জন্য প্রায়োরিটি দিতে হবে।" একইসঙ্গে দপ্তরের পুরনো ফাইল খোলা হবে বলেও জানান তিনি। বলেন, "বিভিন্ন ডিপোর জমি বেচে দিয়েছে পিসি-ভাইপো। সব তদন্ত হবে। রিপোর্ট জমা পড়বে।" পাশাপাশি শ্রম দপ্তর নিয়ে এদিন তিনি বলেন, "শ্রম দপ্তরটাও দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। আমি শ্রমিক ইউনিয়ন করে এসেছি। বিষয়টা কেউ বুঝতেই পারত না এতদিন। অনেক কাজ করার স্কোপ রয়েছে। আস্তে আস্তে সব হবে।"
অর্জুন সিং বলেন, "প্রায়োরিটি হবে বাসের সংখ্যা। অনেকেই বলেছেন বাসের সংখ্যা কম, বাস পাওয়া যায় না। ইলেকট্রিক বাসের জন্য প্রায়োরিটি দিতে হবে।" একইসঙ্গে দপ্তরের পুরনো ফাইল খোলা হবে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে বাম জমানার পরিবহণমন্ত্রী সুভাষ চক্রবতীকে কী প্রশ্ন করেছিলেন অর্জুন, এদিন পরিবহণ দপ্তরের দায়িত্ব পেয়ে মনে করালেন সেই কথা। অর্জুন বলেন, "সুভাষ চক্রবর্তী যখন পরিবহণমন্ত্রী ছিলেন আমি কিছু প্রশ্ন করেছিলাম। এখন সেই দপ্তরে এসে দেখব সেই বিষয়গুলো জানব। ফাইল খুঁজে পেলে পরে জানাব।" তবে তাঁর কাছে যেটা সবথেকে বেশি
অগ্রাধিকার পাবে তা হল সরকারি বাসের সংখ্যয় বাড়ানো। অর্জুন সিংয়ের কথায়, ''সবথেকে বেশি অভিযোগ আসে, রাস্তায় সরকারি বাসের দেখা পাওয়া যায় না। প্রচারে গিয়েও এই সমস্যা শুনতে হয়েছে। আসলে সরকারি বাসের চালক শ্রমিকের সমস্যা থেকে শুরু করে তেল চুরি-সমস্যা অনেক আছে। সব সমস্যাগুলিকেই দেখতে হবে। দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করব। একে একে সব সমস্যাগুলো দেখতে হবে।" এর পাশাপাশি মহিলাদের ফ্রি-তে বাস পরিষেবা নিয়েও উচ্ছ্বসিত পরিবহণমন্ত্রী বলেন, "এটা সরকারের একটা খুবই ভালো প্রকল্প।"
