shono
Advertisement
Sharadwat Mukherjee

আচমকা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে কলকাতার নামী স্কুলের ২৫ ছাত্রী, কী হয়েছে? জানালেন স্বাস্থ্য আধিকারিক

স্কুলের রান্নাঘর সিল করে খাবারের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এছাড়া একাধিক নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 01:32 PM Aug 11, 2026Updated: 04:26 PM Aug 11, 2026

 কারও জ্বর, পেটব্যথা। কারও বমি, সঙ্গে শ্বাসকষ্ট। উত্তর কলকাতার নামী স্কুলে একের পর এক অন্তত ২৫ জন ছাত্রী এভাবেই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়ায় ছড়িয়েছে আতঙ্ক। সোমবার রাতে এই ঘটনার পর দ্রুত ছাত্রীদের ভর্তি করা হয়ে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের। জরুরি বিভাগে তাদের ভর্তি নিয়ে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসা শুরু হয়। মঙ্গলবার সকালে ফের একইরকম উপসর্গ নিয়ে আর জি কর হাসপাতালে ভর্তি হয় ৭ জন। সকলকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। বিকেল নাগাদ ১৬ জন সুস্থ হওয়ায় ছেড়ে দেওয়া হয়। 

Advertisement

জানা যাচ্ছে, উত্তর কলকাতার দেশবন্ধু পার্কের ওই স্কুলের হস্টেলে থেকে পড়াশোনা করে ছাত্রীরা। সোমবার দুপুর পর্যন্ত সুস্থই ছিল তারা, একসঙ্গে পড়াশোনা করেছিল। তারপরই অসুস্থ হয়ে পড়ে তারা। এক অভিভাবক জানিয়েছেন, খাবার খাওয়ার পর থেকে আচমকা বমি, পেটব্যথা শুরু হয়। কারও কারও শ্বাসকষ্ট হয়, কারও জ্বর আসে। দুপুর ২টো থেকে সন্ধ্যা ৮টার মধ্যে একে একে ২৫ জনকে আর জি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জরুরি বিভাগে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসা শুরু হয়। কর্তব্যরত ইএমও তাদের পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় দুটি ওষুধ দেন। রাত ১১টা নাগাদ তাদের দেখতে হাসপাতালে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় (Sharadwat Mukherjee)। সকলের সঙ্গে কথা বলে জানতে চান ঠিক কী সমস্যা হয়েছিল। 

ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি চিকিৎসকদের কাছেও খোঁজ নেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। প্রাথমিক অনুমান, জল বা খাবারে বিষক্রিয়া থেকে এই ঘটনা ঘটেছে। রাতেই স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বেশ কিছু নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। স্কুলের রান্নাঘর সিল করা হয়। বিকল্প রান্নার ব্যবস্থার জন্য বলা হয়েছে। খাবারে কোনও সমস্যা হয়েছিল কি না, তা পরীক্ষা করার জন্য রান্নাঘর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে খবর।

এদিকে, এদিন বিকেলে ছাত্রীদের হাসপাতাল থেকে ছাড়ার সময়ে আর জি করে কর্মরত স্বাস্থ্য আধিকারিক দেবাশিস রায় জানান, ‘‘বেশিরভাগ প্যানিক অ্যাটাকের জন্য অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আমরা যা যা করার সব করেছি। এখন সবাই স্থিতিশীল। কয়েকজনকে একটু পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। আমার ধারণা, জল বা খাবার থেকে কিছু হয়েছে। কিন্তু এখনও নিশ্চিত হয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না।  অভিভাবকদের আশ্বস্ত করতে চাই, টেনশন করবেন না, সবাই ভালো আছে।''  

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement