সুব্রত বিশ্বাস: ট্রেনে মদ পাচারে ধরপাকড় শুরু হতেই, চোরাগোপ্তা ভাবে নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ পাচার শুরু হল শিয়ালদহ, কলকাতার মতো বড় স্টেশনগুলো দিয়ে। শনিবার কলকাতা স্টেশনে ৩৯০ বোতল ফেনসিডিল সহ দুজনকে গ্রেফতারের পর পাচারে কৌশল বদলে গেল। রবিবার বিকেলে শিয়ালদহ এক নম্বর প্ল্যাটফর্মের শেষ প্রান্তে পলিথিন চাপা দেওয়া ব্যাগ ঘিরে আতংক ছড়ায়। পুলিশ ব্যাগটি থেকে একশো বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে। পুলিশের অনুমান, কলকাতা স্টেশনে পাচারকারীরা ধরা পড়ার পর নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ ভর্তি ব্যাগ স্টেশনে লুকিয়ে রেখে গাঢাকা দিয়ে থাকে পাচারকারীরা। পরে গোপনে তা ট্রেনে তোলা হয়।
[আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জের, আগামী দু’দিনও বৃষ্টিতে ভিজবে বাংলার এই জেলাগুলি]
শনিবার বাংলা থেকে বিহারে এই নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ পাচার হচ্ছিল ট্রেনে। পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসে দুই যাত্রীর কাছ থেকে সেদিন ৩০৯ বোতল নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ আটক করল জিআরপি। কলকাতা স্টেশনে দুই যাত্রীর কাছে ভারী ব্যাগ দেখে সন্দেহ হয় পুলিশের। তল্লাশি চালাতেই বেরিয়ে পড়ে এই নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ। ধৃতরা জানিয়েছে, বিহারে মদ নিষেধের পর কাফ সিরাপ নেশার দ্রব্য হিসেবে ব্যবহার করছেন অনেকেই। ফলে চাহিদা তুঙ্গে। মোটা টাকায় বিক্রি হয়। দুদিনে প্রায় আসি হাজার টাকার ফেনসিডিল আটক করেছে জিআরপি। ধৃতরা যোশিডির বাসিন্দা। তাদের কাছে টিকিট ছিল। ধৃত বিকাশ পাসওয়ান ও ধনঞ্জয় পাসওয়ান বিহার মুঙ্গেরের বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, বিহারে মদ নিষিদ্ধ। বাংলা থেকে ট্রেনে মদ পাচারে নজর বাড়াতেই নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ পাচার হচ্ছে। যা মদের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার হয়।
