অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়ের উপর ডিম হামলা নিয়ে চর্চা সর্বত্র। ঘটনা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় মুখ খুললেন বামনেতা তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি লিখলেন, 'বিজেপি ও তৃণমূল দুটি দলের অন্ধ কমিউনিস্ট বিরোধী আচরণে গুন্ডামিকে লালন করার পরিণতির কুচিত্র প্রকাশ পাচ্ছে।' সরকারের কাছে সিপিআইয়ের সাধারণ সম্পাদক ডি রাজার আর্জি, দ্রুত শান্তি ফেরানো হোক বাংলায়।
রাগ-ক্ষোভ থাকতেই পারে। তবে একজন সাংসদকে সোনারপুরে হেনস্তা করা হয়েছে, তার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন অনেকেই। কারণ, সব অপরাধের শাস্তির জন্য আইন রয়েছে। কাউকে এভাবে আক্রমণ করা অনুচিত। ফলে হামলা ঠিক নাকি ভুল, তা নিয়ে চর্চা চলছেই। এদিন গোটা ঘটনার দায় ঘুরিয়ে তৃণমূল ও বিজেপির উপর চাপালেন বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। এদিন সোশাল মিডিয়ায় ঘটনার তীব্র নিন্দা করে তিনি লেখেন, 'গতকাল যুবরাজ, আজ কল্যাণ আক্রান্ত। এভাবে শারীরিক আক্রমণ সুস্থ ও স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড হতে পারে না। বিজেপি ও তৃণমূল দুটি দলের অন্ধ কমিউনিস্ট বিরোধী আচরণ, গুন্ডামিকে লালন করার পরিণতির কুচিত্র প্রকাশ পাচ্ছে।'
বাংলার এই পরিস্থিতি নিয়ে সোচ্চার হয়েছে ডি রাজাও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখলেন, 'পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির উপর শারীরিক আক্রমণ এবং ভাঙচুরের মতো ঘটনার গণতন্ত্রে কোনও স্থান নেই। ভোট প্রচার ও তার পরও উসকানি এবং উত্তেজনার কারণে রাজ্যের পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তপ্ত। বিজেপি, যারা এখন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে রয়েছে, তারা দায়বদ্ধতা এড়াতে পারে না।' তার পোস্টে উঠে এল লেলিনের মূর্তি ভাঙা প্রসঙ্গও। তিনি লেখেন, 'বিজেপি সমর্থকদের সহিংস কর্মকাণ্ড, রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে হামলা, লেনিনের মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগের। সরকারকে অবশ্যই নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে, শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে। '
