রাজনৈতিক কেরিয়ারে অবশেষে নয়া মোড়। গেরুয়া শিবিরের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা এবার যাচ্ছেন রাজ্যসভায়। দোলের দিন, মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপি। তার মধ্যে বাংলায় একটিই আসন ছিল গেরুয়া শিবিরের। সেই আসনেই প্রার্থী হচ্ছেন রাহুল সিনহা। আগামী ১৬ মার্চ রাজ্যসভা নির্বাচন। তৃণমূলের চার প্রার্থী ঘোষিত হয়েছে আগেই। ঘাসফুল শিবিরের হয়ে সংসদের উচ্চকক্ষে যাচ্ছেন বাবুল সুপ্রিয়, প্রাক্তন ডিজিপি রাজীব কুমার,টলি অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক এবং আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী। এবার বিজেপিও একটিমাত্র আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিল।
বিজেপির রাজ্যসভার প্রার্থীদের তালিকা।
মঙ্গলবার মোট ৬ রাজ্যের ন'টি রাজ্যসভা আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপি। বাংলার প্রার্থী হিসেবে রাহুল সিনহা ছাড়াও উল্লেখযোগ্য নাম বিহারের প্রার্থীর। সেখান থেকে বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে তাঁকে এবার রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে গেরুয়া শিবির। বিহার থেকে রাজ্যসভার আরেক প্রার্থী দিলীপ কুমার। কোনও আসনেই তাঁদের বিরুদ্ধে আর কেউ প্রার্থী দেয়নি। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হতে চলেছেন প্রার্থীরা।
রাজনৈতিক কেরিয়ারে অবশেষে নয়া মোড়। গেরুয়া শিবিরের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা এবার যাচ্ছেন রাজ্যসভায়। দোলের দিন, মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপি। তার মধ্যে বাংলায় একটিই আসন ছিল গেরুয়া শিবিরের। সেই আসনেই প্রার্থী হচ্ছেন রাহুল সিনহা।
বঙ্গের গেরুয়া ব্রিগেডের অন্যতম পুরনো নেতা রাহুল সিনহা। সেই আটের দশকে গেরুয়া রাজনীতিতে পা রাখার পর এখনও দলের কাজ করে চলেছেন তিনি। মাত্র ১৭ বছর বয়সে আরএসএস অর্থাৎ সংঘের হাত ধরে পদ্মশিবিরে পদার্পণ। সেই থেকে আজ পর্যন্ত নিরলসভাবে কাজ করে গিয়েছেন শুধু দলের জন্য। রাজ্য এবং জাতীয় স্তরে যোগাযোগ বেশ ভালো। ২০০৯ থেকে ২০১৫, এই ছ'বছর তিনি ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। শেষবার ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে হাবড়া থেকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন। সেই ভোটে পরাজয়ের পর থেকে অবশ্য কোনও স্থায়ী পদ নেই রাহুল সিনহার। এবার ফের তাঁকে দিল্লির রাজনীতিতে এগিয়ে দিল দল। আগামী ১৬ মার্চের ভোটে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়ে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন তিনি।
