shono
Advertisement

Breaking News

Sharadwat Mukherjee

প্রসূতি ওয়ার্ডে হবে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার! সরকারি হাসপাতালে মায়েদের জন্য বড় পদক্ষেপ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

বাংলাজুড়ে প্রসূতি ওয়ার্ডে শয়ে শয়ে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার তৈরি করবে স্বাস্থ্যদপ্তর। স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সেবন্তী গোস্বামী জানিয়েছেন, শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শিশুকে মায়ের কাছে দেওয়া দরকার।
Published By: Subhankar PatraPosted: 09:31 AM Aug 06, 2026Updated: 12:34 PM Aug 06, 2026

শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে স্তন্যপান শুরু করানো উচিৎ। অথচ যথেষ্ট আড়াল নেই সরকারি হাসপাতালে। এবার বাংলাজুড়ে প্রসূতি ওয়ার্ডে শয়ে শয়ে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার তৈরি করবে স্বাস্থ্যদপ্তর। বুধবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে 'বিশ্ব স্তন্যপান সপ্তাহ' পালনের অনুষ্ঠানে সেই বার্তাই ছড়িয়ে দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায় (Sharadwat Mukherjee)।

Advertisement

বেঙ্গল অবস্টেট্রিক অ্যান্ড গাইনোকোলজিকাল সোসাইটি (বিওজিএস) এবং ইন্ডিয়ান সোসাইটি অফ পেরিন্যাটোলজি অ্যান্ড রিপ্রোডাকটিভ বায়োলজি যৌথভাবে 'স্তন্যদান সপ্তাহ' পালনের অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের সঙ্গে। সে অনুষ্ঠানে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সেবন্তী গোস্বামী জানিয়েছেন, শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শিশুকে মায়ের কাছে দেওয়া দরকার। সন্তানের স্পর্শে দ্রুত মাতৃদুগ্ধ নিঃসরণ শুরু হয়। এই সময় মায়ের স্তন থেকে যে হালকা হলদেটে দুধ নিঃসৃত হয় (কলোস্ট্রাম), তাতে আছে নানা ধরনের অ্যান্টিবডি। আজীবন তা সদ্যোজাতকে রোগপ্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। সমস্যা এখানেই। সরকারি হাসপাতালে প্রসূতি বিভাগে তেমন 'আড়াল' নেই। সাফাইকর্মী, পুরুষ নার্সদের সামনেই স্তনপান করাতে হয় মায়েদের।

সম্প্রতি জেলাসফরে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেখেছেন জেলার একাধিক হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে অস্বস্তি নিয়েই সবার চোখের সামনেই স্তনপান করাচ্ছেন মা। এই সমস্যা কাটাতে সরকারি হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে 'ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার' তৈরি করছে রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যদপ্তর। বুধবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সরকারি হাসপাতালে গোপনীয়তা নেই। গোপনীয়তা নিয়ে সচেতনতাও নেই।

এ দিন মাতৃদুগ্ধ নিয়ে শপথ গ্রহণ করেন চিকিৎসকরা। যেখানে বলা হয় জন্মের পর প্রথম ছ'মাস মাতৃদুগ্ধ থেকে যেন কোনও শিশু বঞ্চিত না হয়। ইংরেজিতে শপথ গ্রহণ পাঠ নিয়ে উম্মা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। মন্ত্রীর বক্তব্য, "এই শপথ শুধু ইংরেজিতে রাখা উচিৎ নয়। শপথ ছড়িয়ে দিতে গ্রামে-মফস্বলে। সেখানে অনেকেই ইংরেজি বোঝেন না। হিন্দিতে বলুন অথবা বাংলায় নিন শপথ।" বেঙ্গল অবস্টেট্রিক অ্যান্ড গাইনোকোলজিকাল সোসাইটি (বিওজিএস)-র পক্ষ থেকে ডা. শ্যামল শেঠ জানিয়েছেন, নতুন করে বাংলায় শপথ বাক্য লেখার কাজ শুরু করা হবে। অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন অধ্যক্ষ ডা. ইন্দ্রনীল বিশ্বাস, স্ত্রীরোগ বিভাগের অধ্যাপক ডা. রামপ্রসাদ দে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement