ফেটসু'র সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করে বুধবার রাতে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University)। সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন এসএফআই এবং অন্য বাম ছাত্র সংগঠন ও এবিভিপি-র সদস্যরা। এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুই পক্ষই প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta HC) আবেদন জানানো হল। এদিন হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়। যদিও হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ এই আবেদন গ্রহণ করেনি। নতুন মামলা দায়ের করে আসার পরামর্শ দিয়েছে আদালত।
জানা গিয়েছে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি মামলা কলকাতা হাই কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলার সঙ্গে বুধবারের সংঘর্ষের ঘটনাকে জুড়ে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়। তবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এই আবেদন গ্রহণ করেনি।
উল্লেখ্য, অশান্তির সূত্রপাত বুধবার রাতে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এদিন ডাকা হয়েছিল জিবি মিটিং । তা নিয়েই এবিভিপি এবং বাম ছাত্র সংগঠনের মধ্যে অশান্তি বাঁধে। এবিভিপি’র সদস্যদের কথায়, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও ছাত্র ইউনিয়ন নেই। তা সত্ত্বেও জিবি-র মিটিং ডাকা হয় কীভাবে? এর প্রতিবাদ করাতেই ৭০ থেকে ৮০ জন তাঁদের উপর চড়াও হন বলে অভিযোগ। দু’ক্ষের সংর্ঘষে রাতেই রণক্ষেত্রের আকার নেয় যাদবপুরের ক্যাম্পাস। জখম হন দু’পক্ষের পড়ুয়ারাই। প্রতিবাদে আজ, বৃহস্পতিবার যাদবপুর অভিযানের ডাক দিয়েছে এসএফআই ও এবিভিপি দুই পক্ষই। ইতিমধ্যেই জমায়েত শুরু করেছে দুই সংগঠনের কর্মীরাই। যাদবপুর থানার সামনে জমায়েত করছে এবিভিপি। গোলপার্ক থেকে মিছিল শুরু করবে তাঁরা। এদিকে ৮বি তে জমায়েত করছে এসএফআই। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রবল। তাই পুলিশি নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, ৮ বি, গোলপার্ক-সহ বেশ কয়েকটি এলাকা। ব্যারিকেড করে আটকে দেওয়া হয়েছে রাস্তা। এসএফআইএর সাফ কথা, “বিশ্ববিদ্যালয়ে কারও মাতব্বরি শুনব না।”
