shono
Advertisement
SSKM Hospital

বৈশাখী ভোজে গলায় মুরগির হাড়! এসএসকেএমে প্রাণরক্ষা শিশুর

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাংসের হাড় দু'বছরের শিশুর সাবগ্লটিসে আটকে যাওয়ায় শ্বাসনালির পথ আংশিক বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ফলে ফুসফুসে পর্যাপ্ত বাতাস ঢুকতে পারছিল না!
Published By: Subhankar PatraPosted: 09:14 AM Apr 16, 2026Updated: 09:14 AM Apr 16, 2026

নতুন বছরের খাওয়া-দাওয়ায় মুরগির মাংস। তারই এক টুকরো হাড় আটকে গিয়েছিল দু'বছরের শিশুর সাবগ্লটিসে। কী এই সাবগ্লটিস? চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মুখের ভেতর শ্বাসনালির শুরুর অংশকে বলা হয় সাবগ্লটিস। মুরগির হাড় আটকে যাওয়ায় দম নিতে পারছিল না শিশু। তাকে নতুন জীবন দিল এসএসকেএমের ইনস্টিটিউট অফ অটো রাইনো ল্যারিঙ্গোলজি হেড অ্যান্ড নেক সার্জারি বিভাগের চিকিৎসরা

Advertisement

বিভাগের শল্য চিকিৎসক ডা. সায়ন হাজরা জানিয়েছেন, সাবগ্লটিসে মুরগির হাড় আটকে যাওয়ায় অক্সিজেন স্যাচুরেশন নেমে গিয়েছিল মালদহের বাসিন্দা ওই একরত্তির। সাবগ্লটিস হল শ্বাসনালির শুরু। এখানে কিছু আটকে যাওয়া মানেই ভয়ংকর শ্বাসকষ্ট। বন্ধ হয়ে যেতে পারে কথাও। একটু দেরি হলেই মৃত্যু নিশ্চিত!

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাংসের হাড় দু'বছরের শিশুর সাবগ্লটিসে আটকে যাওয়ায় শ্বাসনালির পথ আংশিক বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ফলে ফুসফুসে পর্যাপ্ত বাতাস ঢুকতে পারছিল না। ফুসফুসে বাতাস কমে যাওয়ায় অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের আদান-প্রদান ব্যাহত হচ্ছিল। রক্তে নতুন অক্সিজেন ঢুকতে পারছিল না। দেরি না করে দ্রুত শিশুটিকে নিয়ে আসা হয় এসএসকেএম-এর ইনস্টিটিউট অটো রাইনো ল্যারিঙ্গোলজি হেড অ্যান্ড নেক সার্জারি বিভাগের জরুরি বিভাগে।

ডিরেক্টর ডা. অরুণাভ সেনগুপ্তর তত্ত্বাবধানে চলছে কাজ। অস্ত্রোপচার টিমে ছিলেন ডা. সায়ন হাজরা, ডা. দিব্যা দাগা, ডা. ভাস্কর বিশ্বাস, ডা. পূর্বা ঘোষ। অ্যানাস্থেটিস্টের দায়িত্বে ছিলেন ডা. সমীরণ গুপ্ত, ডা. ঋতব্রত হালদার। রিজিড ব্রঙ্কোস্কপির মাধ্যমে বের করা হয়েছে মুরগির মাংসের হাড়টি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement