বিধানসভায় অধিবেশন চলছে। সেসময় ঘটল নজিরবিহীন ঘটনা! নিজের আসন ছেড়ে উঠে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অভয়ার মায়ের কাছে গেলেন। তাঁর পাশে বসে কথাও বললেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে দলের বিধায়ক রূপা গঙ্গোপাধ্যায় ও পাপিয়া অধিকারীর সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। অভয়ার মায়ের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর কী কথা হল? সেই নিয়ে জল্পনা দেখা গিয়েছে।
আজ, সোমবার থেকে বিধানসভায় অধিবেশন শুরু হয়েছে। এদিন বহু প্রতীক্ষীত ২১ জুলাই নিয়ে তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ৩৩ তম শহিদ দিবসের ঠিক আগের বিকেলে বিধানসভায় এই সংক্রান্ত জাস্টিস চ্যাটার্জির রিপোর্টটি পড়ে শোনালেন তিনি। এতদিন ধামাচাপা পড়ে থাকা রিপোর্ট থেকে যে সমস্ত তথ্য বেরিয়ে এল, তা যথেষ্ট বিস্ফোরক নিঃসন্দেহে। সেই নিয়ে বিধানসভায় জোর চর্চাও হয়। তবে এদিন আরও একটি ঘটনা দেখা গেল। মুখ্যমন্ত্রী নিজের আসন ছেড়ে উঠে গিয়েছিলেন পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথ অভয়ার মায়ের কাছে। তাঁদের মধ্যে বেশ কিছু সময় কথাও হয়।
মুখ্যমন্ত্রীর আসনের থেকে বেশ কিছুটা দূরে বিধায়ক রত্না দেবনাথের আসন। ২১ জুলাই কমিশনের রিপোর্ট পেশের বক্তব্য রাখার পর শুভেন্দু নিজের আসন থেকে উঠে সোজা চলে যান রত্না দেবনাথের কাছে।
এই ঘটনা বিধানসভায় নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভা চলাকালীন নিজের আসনেই বসে থাকেন। কখনও তিনি নিজের চেয়ার ছেড়ে কোনও বিধায়কের পাশে সাধারণত গিয়ে বসেন না। কিন্তু এদিন সেই ঘটনাই ঘটল। মুখ্যমন্ত্রীর আসনের থেকে বেশ কিছুটা দূরে বিধায়ক রত্না দেবনাথের আসন। ২১ জুলাই কমিশনের রিপোর্ট পেশের বক্তব্য রাখার পর শুভেন্দু নিজের আসন থেকে উঠে সোজা চলে যান রত্না দেবনাথের কাছে। পানিহাটির বিধায়ক অভয়ার মায়ের পাশে বসে তাঁর সঙ্গে কিছু সময় কথাও বলেন। দু'জনের মধ্যে নিচু গলায় কথা হয় বলে খবর। কী কথা হল, সেই বিষয় জানা যায়নি। রত্না দেবনাথের কাছাকাছি আসনেই বসেন দলের বিধায়ক রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, পাপিয়া অধিকারী। তাঁদের সঙ্গেও মুখ্যমন্ত্রী কথা বলেন।
আর জি কর কাণ্ডের ফাইল ফের খোলা হবে। সঠিক বিচার পাবেন আর জি করের মৃত তরুণী চিকিৎসক। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে এর আগে ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই কথা শুনে বিধানসভায় উপস্থিত রত্না দেবনাথ আসনে বসেই হাউহাউ করে কেঁদে ফেলেছিলেন। সেসময় তাঁকে শান্ত করেছিলেন অন্যান্য বিধায়করা। মেয়ের মৃত্যুর ন্যায্য বিচার হবে, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ রত্না দেবনাথও।
