শিল্প-বাণিজ্যে জোয়ার আনতে গিয়ে পরিবেশকে হেলাফেলা নয়। বরং তা আরও উন্নত করতে তৎপর রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার। মঙ্গলবার সল্টলেকের বনবিতানে নিজের হাতে গাছ পুঁতে 'অরণ্য সপ্তাহ'র সূচনা করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তবে এ শুধু প্রতীকী অনুষ্ঠান নয়। রীতিমতো হাতেকলমে কাজ করে দেখাল বনদপ্তর। মন্ত্রী মনোজ ওঁরাওয়ের উদ্যোগে স্কুলপড়ুয়াদের বিতরণ করা হল ১ কোটি ১০ লক্ষ চারাগাছ। বন বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর 'একটি গাছ মায়ের নামে' কর্মসূচিতে অনুপ্রাণিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, বাংলাও হয়ে উঠুক অরণ্যময়। রাজ্যে বছরভর মোট ৭ লক্ষ ২০ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে। বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তার কথা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর পরামর্শ, ‘‘বজ্রপাত থেকে বাঁচতে সবাইকে বলব, নারকেল গাছ লাগান বেশি করে।''
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ‘‘আমরা ঠিক করেছি, এ বছর ৭ লক্ষ ২০ হাজার গাছ লাগানো হবে। এর জন্য স্কুলপডু়য়াদের শামিল করেছি। ওদের হাতে একটি করে চারাগাছ তুলে দেওয়া হয়েছে। মোদিজির প্রকল্প 'মায়ের নামে একটি গাছ' প্রকল্পে এটা দেওয়া হয়েছে।"
মঙ্গলবার সকালে সল্টলেকের বনবিতানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে পরিবেশ ও বনদপ্তরের মন্ত্রী মনোজ ওঁরাও, রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়-সহ অনেকেই ছিলেন। আজ থেকে শুরু হল 'অরণ্য সপ্তাহ', চলবে ২০ জুলাই পর্যন্ত। এদিন তারই সূচনা করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। নিজের হাতে মাটি খুঁড়ে গাছ পুঁতে দিলেন। পরিবেশ বাঁচাতে অরণ্যের অবদান কতখানি, তা বোঝালেন।
বাংলার সেই চেনা বন-জঙ্গল ফিরিয়ে পরিবেশকে বিশুদ্ধ করতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ‘‘আমাদের বনদপ্তরের মন্ত্রী মনোজ ওঁরাও অত্যন্ত দায়িত্ব সহকারে কাজ করছেন। আমরা ঠিক করেছি, এ বছর ৭ লক্ষ ২০ হাজার গাছ লাগানো হবে। এর জন্য স্কুলপডু়য়াদের শামিল করেছি। ওদের হাতে একটি করে চারাগাছ তুলে দেওয়া হয়েছে। মোদিজির প্রকল্প 'মায়ের নামে একটি গাছ' প্রকল্পে এটা দেওয়া হয়েছে। আমি বনদপ্তরের সঙ্গে কথা বলেছি। ওদের কর্মীর অভাব আছে। এবছরের মধ্যে সেই শূন্যপদ আমরা পূরণ করে দেব। এখন থেকে পুলিশ রিক্রটমেন্ট বোর্ড বনদপ্তরের নিয়োগটা করবে। তবে আপনারা সকলে ভালো করে কাজ করুন, নিরাপত্তা নিয়ে ভাববেন না। আগের সরকার তো কিছুই করেনি। আমরা ডবল ইঞ্জিনের সাহায্যে সব করে দেব।''
