রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তায় যেন কোনও খামতি না থাকে। পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে সেই নির্দেশই দিয়েছেন রাজের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার শপথ নেওয়ার পর সোমবারই তিনি নবান্নে গিয়েছিলেন। ক্যাবিনেট বৈঠক করেন। পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গেও তিনি বৈঠক করেছেন। সেখানেই তিনি এই কথা জানিয়েছেন বলে খবর।
তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কালীঘাটে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়িতে থাকেন। নিরাপত্তার কারণেই ওই এলাকা নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে রাখা হত। মমতার বাড়ি যাওয়ার গলির মুখে থাকত ‘সিজারস ব্যারিকেড’। কলকাতা পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকত। এবার বিধানসভা ভোটে বিজেপির কাছে হেরে গিয়েছে তৃণমূল। ভবানীপুর আসনে মমতা নিজেও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন প্রাক্তন। এদিকে শুভেন্দু রাজ্যের মুখমন্ত্রীর আসনে বসেছেন।
তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কালীঘাটে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়িতে থাকেন। নিরাপত্তার কারণেই ওই এলাকা নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে রাখা হত। মমতার বাড়ি যাওয়ার গলির মুখে থাকত ‘সিজারস ব্যারিকেড’। কলকাতা পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকত।
আইনি মতে এখন আর মমতার আগের মতো আঁটসাঁট নিরাপত্তার নিয়ম নেই। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রটোকল অনুসারে যতটা নিরাপত্তা অন্যরা পান, মমতাও তেমনই পাবেন। সেই কথাই জানা গিয়েছে। এদিন পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন শুভেন্দু। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যতটা নিরাপত্তা প্রাপ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেন তা পান, সেক্ষেত্রে যেন কোনওরকম খামতি না থাকে। সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। তেমনই নবান্ন সূত্রে খবর। প্রসঙ্গত, নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পরই তৃণমূল সুপ্রিমোর বাড়ি যাওয়ার মুখে পুলিশি নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিল। সিজারস ব্যারিকেডও সরিয়ে নিয়েছে লালবাজার। নেত্রীর বাড়ির সামনে দিয়ে এখন সাধারণ মানুষজন যাতায়াত করতে পারেন।
অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হল। একজন সাংসদ যে নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন, এখন থেকে সেই নিরাপত্তাই পাবেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন থেকে আজ, সোমবারই এই নির্দেশ জারি হয়েছে বলে খবর। এর আগে রাজ্যে পালাবদলের পর অভিষেকের বাড়ির সামনে থেকেও পুলিশি নিরাপত্তা তুলে নিয়েছিল প্রশাসন।
