পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেপ্তার রাজ্যের প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। ম্যারাথন জেরার পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ইডি। শারীরিক পরীক্ষার পর আজ, মঙ্গলবারই প্রাক্তন মন্ত্রীকে আদালতে তোলা হবে বলে খবর। সঠিক তথ্য পাওয়ার জন্য তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে দীর্ঘ জেরা করা আশু প্রয়োজন। তেমনই মনে করছেন ইডি আধিকারিকরা। নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য আধিকারিকরা আদালতে আবেদন করবেন। সেই কথাও জানা গিয়েছে। এদিকে সুজিত বসুর গ্রেপ্তারিতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।
পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে একাধিকবার ইডি অফিসে তলব করা হয়েছিল রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সুজিত বসুকে। কিন্তু তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে উপস্থিত হচ্ছিলেন না। এর আগে নির্বাচনের প্রচারে ব্যস্ত থাকায় নথিপত্র নিয়ে হাজির হয়েছিলেন তাঁর ছেলে। এরপর ভোট মিটতেই পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তের সহযোগিতার জন্য গত ১ মে সল্টলেক সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হয়েছিলেন সুজিত। সঙ্গে ছিলেন তাঁর আইনজীবী। ওই দিন ইডি দপ্তরের ঢোকার মুখে সুজিত জানিয়েছিলেন, আদালতের অর্ডার কপি নিয়ে তিনি ইডি দপ্তরে এসেছেন। দীর্ঘ জেরার পর তিনি ছাড়া পেয়েছিলেন। তবে এদিন আর ছাড়া পেলেন না।
প্রায় ১০ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরার পর রাতেই খবর আসে ইডির হাতে গ্রেপ্তার সুজিত বসু। জিজ্ঞাসাবাদে সাহায্য না করা, একাধিক বয়ানে অসঙ্গতি, তথ্য গোপনের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে সেই কথা প্রাথমিকভাবে জানানো হয়।
সোমবার বেলায় ইডি অফিসে কাগজপত্র-সহ হাজির হয়েছিলেন বিধানগরের প্রাক্তন বিধায়ক। সন্ধে গড়িয়ে রাত নামলেও তিনি সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরননি। প্রায় ১০ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরার পর রাতেই খবর আসে ইডির হাতে গ্রেপ্তার সুজিত বসু। জিজ্ঞাসাবাদে সাহায্য না করা, একাধিক বয়ানে অসঙ্গতি, তথ্য গোপনের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে সেই কথা প্রাথমিকভাবে জানানো হয়। তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতার গ্রেপ্তারিতে কোনও উত্তেজনা যাতে না ছড়ায়, সেজন্য নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয় সিজিও কমপ্লেক্স চত্বর।
গ্রেপ্তারির কথা শুনে রাতেই সুজিত বসুর স্ত্রী সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছন সুজিত বসুর স্ত্রী। খাবার, প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র ও জামাকাপড় তিনি দিতে গিয়েছিলেন। পরে তিনি সিজিও থেকে ফিরেও যান। টানা জেরার কারণে সুজিত অসুস্থবোধ করেছেন। সেই কথাও শোনা গিয়েছিল একসময়।
গ্রেপ্তারির কথা শুনে রাতেই সুজিত বসুর স্ত্রী সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছন সুজিত বসুর স্ত্রী। খাবার, প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র ও জামাকাপড় তিনি দিতে গিয়েছিলেন। পরে তিনি সিজিও থেকে ফিরেও যান। টানা জেরার কারণে সুজিত অসুস্থবোধ করেছেন। সেই কথাও শোনা গিয়েছিল একসময়। শারীরিক পরীক্ষার পর মঙ্গলেই তাঁকে আদালতে তোলা হবে। তার আগে হবে শারীরিক পরীক্ষা। ইডির তরফে এই কথা জানানো হয়। পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে তাঁর নাম জড়িয়েছিল অনেক আগেই। তাঁর বাড়ি ও অফিসে ইডি আধিকারিকরা হানা দিয়ে একাধিক নথিপত্রও বাজেয়াপ্ত করেছিলেন। মন্ত্রী থাকাকালীন দক্ষিণ দমদম পুরসভায় কয়েকশো বেআইনি নিয়োগ হয়েছিল! সুজিত এইসব ঘটনায় জড়িত। তাঁর সবুজসংকেতেই এই বেআইনি নিয়োগ হয়েছিল। সেই অভিযোগ উঠেছে।
