shono
Advertisement

Corona Pandemic: স্কুল বন্ধ, তাই রেললাইনের ধারেই কোচিং ক্লাস শুরু করল পুলিশ

সাউথ ওয়েস্ট ট্রাফিক গার্ডের ওসি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের উদ্যোগে শুরু হয়েছে এই কোচিং ক্লাস।
Posted: 04:51 PM Aug 13, 2021Updated: 04:51 PM Aug 13, 2021

অর্ণব আইচ: করোনা (Corona) পরিস্থিতিতে স্কুল বন্ধ। তা বলে পড়াশোনা হতে দেওয়া যাবে না! কিন্তু পড়াশোনায় যে তাদের মন নেই। তাই রেললাইনের পাশে তাদের জন্য ‘কোচিং সেন্টার’ তৈরি করল কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক গার্ড। সাউথ ওয়েস্ট ট্রাফিক গার্ডের ওসি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের উদ্যোগে শুরু হয়েছে এই কোচিং ক্লাস।

Advertisement

[আরও পড়ুন: Night Curfew’র সময়সীমা কমার সুফল, রাত ৮টার পরও মিলবে Metro পরিষেবা]

পুলিশ জানিয়েছে, মাঝেরহাট ব্রিজের কাছেই রয়েছে মধু বস্তি। এখানেই রয়েছে জনা ৩০ ছেলে ও মেয়ে, যারা প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী। তাদের মধ্যে অনেকেই পড়াশোনা করে স্কুলে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে তাদের স্কুল বন্ধ। পরিবারের আর্থিক অবস্থা এতটা ভাল নয় যে, অনলাইন ক্লাস করতে পারবে। তাই তারা দিন কাটায় হেসেখেলে। তারা যাতে কোনও বিপথে না যায়, সেই উদ্যোগ নেন ট্রাফিক গার্ডের ওসি। বসতির কাছে রেললাইনের পাশে গাছের তলায় শুরু হয়েছে কোচিং ক্লাস। প্রত্যেকদিন বিকেলে পুলিশকর্মী ও পুলিশ আধিকারিকরাই ব্যস্ততার মধ্যে থেকে সময় বের করে শিক্ষক ও শিক্ষিকার ভূমিকায় নেমেছেন। তাঁরাই দিনের আলো থাকতে থাকতে পড়াচ্ছেন তাদের। আগেই এই অঞ্চলের শিশু ও কিশোর কিশোরীদের জন্য পুলিশ দুধ, বিস্কুট ও অন্যান্য খাবারের আয়োজন করেছিল। এবার খাতা, বই, পেন্সিল, পেন ও পড়াশোনার সরঞ্জামেরও আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এহেন পদক্ষেপে রীতিমতো প্রশংসার ঝড় বয়ে গিয়েছে। নিজের কর্তব্যের পাশাপাশি মহামারী আবহে শিশুদের পড়াশোনার এই উদ্যোগে নতুন আশার আলো দেখতে পেয়েছেন মধু বস্তির বাসিন্দারা। উল্লেখ্য, এতদিন পর্যন্ত শোনা যাচ্ছিল, কোভিড (COVID-19) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে এলে স্কুল খোলা হলে আগে খোলা উঁচু ক্ল‌াসগুলি। পরে প্রাথমিকের (Primary school) পড়ুয়াদের কথা ভাবা হবে। কিন্তু সম্প্রতি AIIMS প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া জানিয়েছিলেন, শিশুদের শরীরে ভাইরাসের প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। তাই এই পরিস্থিতিতে প্রাথমিক স্কুলগুলি খুলে দেওয়ার ব্যাপারে ভাবনাচিন্তা করা যেতেই পারে। তারপরই সরকারি সংস্থা ICMR-এর তরফে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এক বৈঠকে সংস্থার তরফে ডিজি বলরাম ভার্গবও একই মত পোষণ করেন। এদিকে সংক্রমণ যতই কমুক, ভয় দেখাচ্ছে করোনার R-value। অর্থাৎ একজন করোনা‌ রোগীর থেকে কতজন সংক্রমিত হচ্ছেন, তার হিসেব। যা ১ হয়ে যাওয়া মানেই বিদ সংকেত। গত জুনে যা নেমে এসেছিল ০.৭৮-এ। কিছুদিন আগে তা বেড়ে হয় ০.৮৮। এবার তা বেড়ে হয়েছে ০.৯৫। দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময়ও তা এভাবেই বেড়েছিল। ফলে এই দিকটি বিবেচনা করে উদ্বিগ্ন বিজ্ঞানীরাও।

[আরও পড়ুন: একাধিক বিতর্কের জের, অপসারিত উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি Mahua Das]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement