বারুইপুরে নাবালিকা যৌন নির্যাতন ও খুনের ঘটনায় গণপিটুনিতে মৃত্যু হয়েছিল একজনের। বারুইপুর কাণ্ডে উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল সিপিএম নেতা লাহেক আলিকে। তবে জেলে থাকাকালীন ফের নতুন করে তাঁকে অন্য কোনও মামলায় গ্রেপ্তার বা শ্যোন অ্যারেস্ট করা যাবে না। এদিন সেই কথা জানিয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। এই নির্দেশের ফলে কিছুটা স্বস্তিতে সিপিএমের এই তরুণ নেতা।
বারুইপুরের ঘটনায় মোট চারটি এফআইআর দায়ের করে বারুইপুর থানার পুলিশ। যার একটিতে সিপিএম নেতা লাহেক আলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মন্তব্য করা-সহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়। সেই অভিযোগে আদালতের বাকি ৩টি মামলাতেও তাঁকে শ্যোন অ্যারেস্ট করা হতে পারে। সেই আশঙ্কা করা হয়েছিল। সেই থেকেই কলকাতা হাই কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন লাহেক। গত শুক্রবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ নির্দেশ দিয়েছিলেন, সোমবার পর্যন্ত অন্যান্য মামলায় যাতে লাহেক আলিকে গ্রেপ্তার করা না হয়। আজ, সোমবার সের হাই হোর্টে শুনানি হয়। সেখানেই বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ নির্দেশ দিয়েছেন, এই সিপিএম নেতাকে অন্য কোনও মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট করা যাবে না।
প্রসঙ্গত অবরোধ, ভাঙচুর এবং হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার এই সিপিএম নেতা এখনও জেল হেফাজতেই রয়েছেন। গত ২৪ জুলাই তাঁকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে হাজির করায় পুলিশ। আদালত তাঁকে আরও ১৪ দিন জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। চলতি বছর ভোটে বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে বামফ্রন্টের প্রার্থী ছিলেন এই তরুণ সিপিএম নেতা।
