ফের স্কুলের মধ্যেই ছাত্রের রহস্যমৃত্যু। কিছুদিন আগেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুরের এক স্কুলে গরম চা খেয়ে মৃত্যু হয়েছিল এক খুদে পড়ুয়ার! সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে এবার কলকাতার বাগুইআটি (Baguiati) এলাকায় এক স্কুলে মাধ্যমিক পরীক্ষার রহস্যমৃত্যু হল! স্কুলের টিফিন টাইমে খাবার খাওয়ার সময় পড়ে যায় ওই ছাত্র! হাসপাতালে যাওয়ার আগেই সব শেষ! পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনা নিয়ে মুখে কুলুপ স্কুল কর্তৃপক্ষের।
বাগুইআটি এলাকাতেই বাড়ি দশম শ্রেণির ওই ছাত্রের। প্রতিদিনের মতো আজ, সোমবারও স্কুলে যায় সে। এদিন টিফিন টাইম শুরু হওয়ার পরেই বাড়ি থেকে আনা খাবার খেতে শুরু করেছিল সে। কিছু সময়ের মধ্যেই ওই ছাত্র সামনে মুখ থুবড়ে পড়ে যায়। ডাকলেও সাড়া পাওয়া যায়নি। ঘটনায় সামনে থাকা ছাত্ররাও ভয় পেয়ে যায়। স্কুলের মাস্টারমশাইরাও ছুটে যান সেখানে। সাড় না মেলায় দ্রুত তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন আগেই মারা গিয়েছে ওই ছাত্র।
ঘটনা জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়ায়। খবর দেওয়া হয় ওই ছাত্রের পরিবারকে। খবর পেয়ে স্কুল ও হাসপাতালে যায় বাগুইআটি থানার পুলিশ। স্কুলের স্যার ও ছাত্রদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। স্কুলের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
ঘটনা জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়ায়। খবর দেওয়া হয় ওই ছাত্রের পরিবারকে। খবর পেয়ে স্কুল ও হাসপাতালে যায় বাগুইআটি থানার পুলিশ। স্কুলের স্যার ও ছাত্রদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ঠিক কী হয়েছিল, কীভাবে মৃত্যু খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ। স্কুলের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। গোটা বিষয়টি নিয়ে কোনও কথা বলছে না ওই সরকারি স্কুল কর্তৃপক্ষ। ছেলেকে হারিয়ে শোকে পাথর বাবা-মা। ওই ছাত্রের মা বলেন, "আমাকে আজকেও ছেলে বলল, স্কুলে প্রজেক্ট জমা দিতে হবে। তিনদিন স্কুলে যাব।" ফের তিনি বলেন, "আমাকে স্কুল থেকে বলল, ও অজ্ঞান হয়ে গিয়েছে। গিয়ে দেখলাম, আমার ছেলেটা নাই। স্কুলের ছেলেরা বলল টিফিন খাচ্ছিল। ওরা হঠাৎ আওয়াজ শোনে, দেখে ও পড়ে গিয়েছে। শ্বাস নিতে অসুবিধা হচ্ছিল।”
স্কুলের বিরুদ্ধে এই বিষয়ে এখনও কোনও অভিযোগ করেননি মৃত ছাত্রের বাবা। তবে ক্লাসের কয়েকজন ছাত্র ছেলেকে দিন কয়েক আগে মারধর করেছিল। গত সপ্তাহে গার্ডিয়ানস্ মিটিংয়ে সেই কথা স্কুল কর্তৃপক্ষকে ওই ব্যক্তি জানিয়েওছিলেন। এদিন মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
