রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: ফের স্বমেজাজে ফিরতে চলেছেন বিজেপির দাবাং নেতা দিলীপ ঘোষ। বিজেপির সল্টেলেকের কার্যালয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে বৈঠকের মিলল সেই ইঙ্গিতই! ১৩ জানুয়ারি, দুর্গাপুরে প্রাক্তন ও বর্তমান রাজ্য সভাপতি একসঙ্গে রাজনৈতিক সভা করবেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টচার্য বলেন, "তিনি বাড়িতে বসে থাকার লোক নয়।" এদিকে সরকারি অনুষ্ঠানে ৮ তারিখ রাজ্যে আসতে চলেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা।
দিলীপ ঘোষ বঙ্গ বিজেপির সফলতম রাজ্য সভাপতি! পরিসংখ্যানই সেই কথা বলে। তাঁর সময়কালেই পদ্ম শিবিরের শিকড় মজবুত হয়েছে। তবে পরবর্তীতে দলে নতুন মুখ এসেছে। একদিকে নতুনদের দায়িত্ব বেড়েছে। অন্যদিকে পুরনোদের একাংশের সঙ্গে দলের দূরত্ব তৈরি হয়েছে। দিলীপের সঙ্গে বিভিন্ন সময় দূরত্ব তৈরি হয় নেতাদের!
দীর্ঘদিন বিজেপির কোনও কর্মসূচিতেও ডাক পাননি দিলীপ ঘোষ। নিজের মতোই সভা করছিলেন। তবে সেই কর্মসূচিগুলির সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক ছিল না! কিন্তু এবার থেকে দিলীপ ঘোষের কর্মসূচিকে রাজ্য নেতৃত্ব আনুষ্ঠানিক ভাবে অনুমোদন দিচ্ছে বলেই খবর। জানুয়ারির গোড়ায় বারাকপুরের পাশাপাশি কোচবিহারেও সভা রয়েছে দিলীপের। সেটাও দল অনুমোদন করেছে বলেই খবর। এনিয়ে শমীকের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা হয় দিলীপের। বৈঠকের পর বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টচার্য বলেন, "দিলীপ ঘোষ কৈশোর থেকেই এই সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে। তিনি বাড়িতে বসে থাকার লোক নয়।"
উল্লেখ্য, বুধবার দিলীপের মান ভাঙাতে আসরে নেমেছিলেন খোদ বিজেপির 'চাণক্য' অমিত শাহ। তারপরই আজ, বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টা নাগাদ সল্টলেকের রাজ্য বিজেপির কার্যালয়ে যান তিনি। বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে দিলীপ বলেন, "আমি দলেই ছিলাম। হ্যাঁ, কোনও পদে ছিলাম না। পার্টি যেভাবে চাইবে আমি সেভাবেই কাজ করব।" শোনা যাচ্ছে, রাজ্যে বিজেপির যে পাঁচটি জোন রয়েছে তাঁর একটি দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে তাঁকে। যদিও এবিষয়ে বিজেপির তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
