দিল্লির গণ্ডি পেরিয়ে দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদ। গোটা দেশের যুবসমাজের মধ্যে ককরোচ নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। ঘোলা জলে মাছ ধরার চেষ্টা করছে বিরোধীরা। কিন্তু আন্দোলনকে বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দিতে নারাজ বাংলার মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তাঁর কথায়, "বিদেশিদের কাঠের পুতুল এরা। মাঝে মধ্যে এরা উৎপাত করে সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা করে। লাভ হবে না, পরিণতি হবে কৃষক আন্দোলনের মতো।"
ঠিক কী বলেছেন দিলীপ ঘোষ? তাঁর কথায়, "যে মুখগুলো প্রমিনেন্ট হচ্ছে এরা গত কয়েকবছর ধরে এরকম বহু বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আসলে আন্দোলনজীবী নাম দেওয়া হয়েছিল যাদের তাঁরা সবসময় কিছু না কিছু ইস্যু তোলে। এদের কাজ নিরীহ লোকদের সামনে এনে দেশে উৎপাত করে। সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা করা। এরা ভারতকে নেপাল-শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তান-বাংলাদেশ বানানোর অনেক চেষ্টা করেছে। কিন্তু সফল হয়নি, এবারও হবে না।"
এরপরই কৃষক আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, "কৃষক আন্দোলনের যে পরিণতি আমরা দেখেছি, এদেরও তাই হবে। এই কুশীলবরা কৃষক আন্দোলনও করে, ছাত্র আন্দোলনও করে, মহিলা আন্দোলনও করে। এরা পেশাদার, বিদেশিদের কাঠের পুতুল। কিছুদিন এরা উৎপাত করবে। ভুলে যাবেন না সরকার নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহের। এই আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেশের মানুষ নেই। সাধারণ মানুষ এদের চেনে। এদের কোনও লজ্জা নেই।"
উল্লেখ্য, দিল্লির যন্তরমন্তরে বিক্ষোভরত পড়ুয়াদের দাবি দাওয়া মানতে সরকার যে আন্তরিক সেটা বৃহস্পতিবার সকালে বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। পড়ুয়াদের আন্দোলন (CJP Protest), বিরোধীদের সমবেত প্রতিবাদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ফের পড়ুয়াদের উদ্দেশে বড়সড় বার্তা দেন। সোশাল মিডিয়ায় মোদি বললেন, “ছাত্রদের থেকে গুরুত্বপূর্ণ আমাদের কাছে কিছুই নয়। তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আপস করবে না সরকার। দেশের যুবসমাজের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করাটাই আমাদের লক্ষ্য।”
